আ'লীগ নেতা জাহাঙ্গীর হত্যায় জড়িত সন্দেহে ২ জন আটক

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০১৪      

সমকাল প্রতিবেদক

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবিরকে গুলি করে হত্যায় জড়িত সন্দেহে দু'জনকে আটক করেছে র‌্যাব। আটককৃতরা হলেন_ নাইম আহমেদ ও আমেনা বেগম। পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানা গেছে। তবে র‌্যাব এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি স্বীকার করেনি। ৯ আগস্ট রাতে পশ্চিম আগারগাঁওয়ের ২০০/৪ নম্বর বাসার সামনে দুর্বৃত্তের গুলিতে খুন হন জাহাঙ্গীর কবির। ওই বাসার পঞ্চম তলায় তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে থাকতেন। তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আওয়ামী লীগ নেতা নূর মোহাম্মদের (নুরু হাজি) জামাতা ছিলেন। র‌্যাবের একটি দায়িত্বশীল সূত্র সমকালকে জানায়, নাইম আহমেদ ও আমেনা বেগমকে রোববার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়।
নুরু হাজির ছেলে আনোয়ার হোসেন মিন্টুর নির্দেশে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। তিনি বর্তমানে ভারতে পলাতক রয়েছেন। তার হয়ে পুরো ঘটনার পরিকল্পনা করেন আমেনা বেগম ও তার স্বামী কবির হোসেন। গুলি ছুড়ে হত্যা করেন নাইম। এ জন্য তাকে তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়।

র‌্যাব সূত্র জানায়, নুরু হাজি ও তার জামাতা আবদুল মান্নান রহস্যজনকভাবে নিখোঁজের পর পরিবারটির পুরো সম্পত্তির দখল নেন আরেক জামাতা জাহাঙ্গীর কবির। এ নিয়ে পরিবারের অপর সদস্যরা তার ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন। এ ছাড়া রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক কারণে কিছু মানুষের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল। পলাতক মিন্টুর ধারণা, তার বাবা ও ভগি্নপতি নিখোঁজ হওয়ার পেছনে জাহাঙ্গীরের হাত রয়েছে। পাশাপাশি সম্পত্তি বেহাত হওয়ার বিষয়টিও তাকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। এ কারণেই তিনি জাহাঙ্গীরকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ সমকালকে বলেন, অন্যান্য ঘটনার মতো আমরা এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য নিয়ে কাজ করছি।
তবে এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।