ছয় সাংবাদিক পেলেন ক্র্যাবের পুরস্কার

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০১৬      

সমকাল প্রতিবেদক

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, গণমাধ্যম কর্মীদের নির্ভীকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তারা আপস করলে মুখ থুবড়ে পড়বে গণতন্ত্র। গণতন্ত্রকে নিরাপদ করতে হলে জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে হবে। সব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। পুলিশ-র‌্যাবের সদস্যরা দু'এক মিনিটের মধ্যে ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারেন; তখনও জেগে থাকতে হবে সংবাদ কর্মীদের। গতকাল বুধবার রাতে শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) অভিষেক অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ছয় সাংবাদিককে সেরা প্রতিবেদনের পুরস্কার দেওয়া হয়।
খালেদা জিয়াকে ইঙ্গিত করে হাসানুল হক ইনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর জঙ্গিবাদের খলনায়িকাকে এক পাল্লায় মাপলে ভুল হবে। রাজনৈতিক অঙ্গনের দাগি আসামিদের পক্ষে ওকালতি করলে চলবে না।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডিএমপি
কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ৮০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক রাস্তায় আইন মানেন না। আইন মানার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। সংবাদ কর্মীরা লেখনীর মধ্য দিয়ে এ ব্যাপারে জনমত গঠন করতে পারেন। পুলিশ পরিবর্তন হতে চায়। ১৮৬১ সালের আইন এ যুগে চলে না।
র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসান বলেন, সঠিক তথ্য উপস্থাপন করে জনমত গঠনে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। তনু হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে মেয়েটিকে ধর্ষণ করা, না করার বিষয় নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। মেয়েটি যে হত্যাকাণ্ডের শিকার হলো সেটা যেন অনেকের কাছে মুখ্য নয়।
ছয় সাংবাদিক পেলেন পুরস্কার :বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ছয় সাংবাদিককে এবার 'বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড' দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেকের হাতে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও ২০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন অতিথিরা। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন_ সমকালের বিশেষ প্রতিনিধি সাহাদাত হোসেন পরশ, জাগো নিউজের মনিরুজ্জামান উজ্জল, ইত্তেফাকের সমীর কুমার দে, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের মাহবুব আলম লাবলু, বাংলাভিশনের দীপন দেওয়ান ও একুশে টেলিভিশনের দীপু সারোয়ার।