পাহাড়ের পাদদেশ বসবাসকারীদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৬      

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়া এবং পাহাড় কাটা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ আন্দোলনকারীরা। গতকাল শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত মানববন্ধন ও স্মরণ সভা থেকে এ দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি পাহাড় ধস রোধে গঠিত পাহাড় রক্ষা কমিটির দেওয়া ৩৬ দফা সুপারিশ বাস্তবায়নেরও দাবি জানান তারা।
১১ জুনকে জাতীয় পাহাড় রক্ষা দিবস ঘোষণা এবং পাহাড় ধসে নিহতদের স্মরণে প্রতিবাদী মানববন্ধন ও স্মরণসভার আয়োজন করে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা), পিপলস ভয়েস, কারিতাস চট্টগ্রাম অঞ্চল ও বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস)।
সভায় প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, শক্তিশালী পাহাড় রক্ষা কমিটি বেশ কিছু সুপারিশ করেছিল। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ সব বসতি চিহ্নিত করা ও তাদের স্থায়ীভাবে উচ্ছেদের মতো সুপারিশগুলোই এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। দখল হওয়া পাহাড়গুলোর অধিকাংশই সরকারি মালিকানার হলেও সরকারি সংস্থাগুলোর কোনো কার্যক্রম
সারা বছর চোখে পড়ে না।
অধ্যাপক ইদ্রিস আলী বলেন, প্রতি বছর বর্ষা এলেই প্রশাসনের তোড়জোড় শুরু হয়। শুধু বর্ষা এলেই লোক দেখানো অভিযান না চালিয়ে সারাবছর পাহাড় রক্ষায় অভিযান চালাতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে হবে।
পরিবেশ আন্দোলনকারী সংগঠক শরীফ চৌহান বলেন, পাহাড় কাটা ও দখলে জড়িতরা চিহ্নিত হলেও কখনোই তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবিলম্বে ১১ জুনকে জাতীয় পাহাড় রক্ষা দিবস ঘোষণার দাবি জানিয়ে শরীফ চৌহান বলেন, জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে পাহাড় রক্ষায় প্রশাসনকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে পাহাড় রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আবৃত্তি সংগঠন প্রমার সভাপতি রাশেদ হাসান, কারিতাসের শ্যামল মজুমদার, পিপলস ভয়েসের সৈয়দ মুহাম্মদ আতিকুর রহমান, পবার সংগঠক হাবিবুল হক বিপ্লব, যুবনেতা রুবেল দাশ প্রিন্স, যুবনেতা খোকন মাহি ও পরিবেশ ছাত্র ফোরামের আরিফুল হক।