এইডস নির্মূলে বৈশ্বিক সহায়তা চায় বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৬      

বিডিনিউজ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে এইডস নির্মূলে এইচআইভি সংক্রমণ মোকাবেলায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এইচআইভি/এইডস নিয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, 'এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি শনাক্তকরণে বাংলাদেশের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগীদের কাজ চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।'
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, স্থানীয় সময় শুক্রবার শেষ হওয়া তিন দিনের এ বৈঠকে এইডস নির্মূলে নতুন একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার গৃহীত হয়।
ঘোষণায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এইডসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অগ্রগতি ও ২০৩০ সালের মধ্যে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি এ মহামারি নির্মূলে বেশ কিছু লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সচিব রাজনৈতিক অঙ্গীকারের পাশাপাশি এইডস মোকাবেলায় সদস্য দেশগুলোর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও আঞ্চলিক মূল্যবোধগুলো মেনে চলার ওপরও জোর দেন।
সচিব মনজুরুল ইসলাম বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে এইডসের ব্যাপক বিস্তার সত্ত্বেও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে দৃঢ় অংশীদারিত্ব ও দ্রুত শনাক্তকরণের মাধ্যমে পদক্ষেপ গ্রহণ বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে এ রোগ শূন্য দশমিক এক শতাংশের নিচে রাখতে সাহায্য করেছে।
ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মাঝে কার্যকরভাবে এইচআইভি প্রতিরোধী সেবা প্রদান এবং তাদের সহায়তা চালিয়ে যেতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর পরও উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন স্বাস্থ্য সচিব।
সমন্বিত মডেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে কমিউনিটিভিত্তিক এইচআইভি পরীক্ষা ও সেবার মাধ্যমে ঝুঁকি শনাক্তকরণ কার্যক্রম বাড়ানোর কথা বলেন তিনি।
এইচআইভি প্রতিরোধে জাতিসংঘে উচ্চ পর্যায়ের এ বৈঠকে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তি এবং সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, বিজ্ঞানী ও গবেষকরা অংশ নেন।