২৮ বছর অবৈধ দখল

গাবতলীর ৩৭ একর জমি উদ্ধার করল ডিএনসিসি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০১৭      

সমকাল প্রতিবেদক

আটাশ বছর অবৈধ দখলে থাকা রাজধানীর গাবতলীসংলগ্ন ৩৭ একর জমি উদ্ধার করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। গত শুক্রবার থেকে দু'দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে এই জমি উদ্ধার করা হয়। অবৈধ দখলদাররা জমিতে ইট, বালু-পাথরের ব্যবসাসহ বিভিন্ন দোকানপাট ও অবকাঠামো গড়ে তুলেছিলেন। বুলডোজার দিয়ে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার। অভিযানকালে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়। ডিএনসিসির শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
ডিএনসিসি জানায়, ১৯৮৯ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড তৎকালীন অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনকে ৫২ একর জমির মালিকানা হস্তান্তর করে। এরপর জমি বিভিন্ন ব্যক্তি দখল করে রাখে। কয়েক মাস আগে ডিএনসিসির সম্পত্তি বিভাগ জমি উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়। সে অনুযায়ী মাপজোখের মাধ্যমে সীমানা চিহ্নিত করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ারের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমাণ আদালত গাবতলী-সদরঘাট সংযোগ সড়কের রামচন্দ্রপুর স্লুুইসগেট এলাকা থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। প্রথম দিনের অভিযানে প্রায় ১২ একর জমি উদ্ধার হয়। গতকালের অভিযানে আরও প্রায় ২৫ একর জমি উদ্ধার হয়। দু'দিনের অভিযানে রামচন্দ্রপুর স্লুইসগেট এলাকা থেকে ঢাকা-আরিচা সড়কসংলগ্ন ইট-বালু-পাথরের আড়ত পর্যন্ত ৫২ একর জমির মধ্যে প্রায় ৩৭ একর উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এ সময় প্রায় ৫০০ অস্থায়ী স্থাপনা, ৫০টি স্থায়ী দোকানঘর, ইট-বালুর আড়ত, সীমানাপ্রাচীরসহ টায়ারপট্টি উচ্ছেদ করা হয়। অবশিষ্ট জমি উদ্ধার হলে ওই স্থানে একটি অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট
এবং কেন্দ্রীয় পরিবহন ওয়ার্কশপ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে ডিএনসিসির।
অভিযানকালে ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) লে. কর্নেল এম এম সাবের সুলতান, ওয়ার্ড কাউন্সিলর মফিজুর রহমান, মোবাশ্বের চৌধুরী, আবুল হোসেনসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।