জঙ্গিবাদ প্রশ্নে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে-পর্যটনমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০১৭      

সমকাল প্রতিবেদক

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত বাংলাদেশ। আবহমানকাল ধরে সব সম্প্রদায়ের মানুষ এ দেশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে। এখানে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই। এ প্রশ্নে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
গতকাল শনিবার বাংলাদেশে নিযুক্ত ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রধান কার্ডিনাল প্যাট্রিক রোজারিওর সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। রাজধানীর কাকরাইলে বাংলাদেশে রোমান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রধান চার্চে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রধান পদকে কার্ডিনাল পদে উন্নীত করায় ভ্যাটিকান সিটির প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি। কার্ডিনাল প্যাট্রিক রোজারিওকে বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়ে তার সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর জীবন কামনা করেন মেনন।
চার্চপ্রধান বাংলাদেশে তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। মন্ত্রী এসব সমস্যা সমাধানে ব্যক্তিগত উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন।
'কোরীয় উপদ্বীপে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ অপরিহার্য' :এদিকে পৃথক আরেকটি অনুষ্ঠানে রাশেদ খান মেনন বলেছেন, কোরীয় উপদ্বীপের উত্তেজনা প্রশমনে ওই অঞ্চলের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং কোরিয়ার মহান নেতা কিম ইল সুংয়ের ১০ দফার বাস্তবায়ন প্রয়োজন। কিন্তু তা না করে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি দক্ষিণ কোরিয়ায় একের পর এক পারমাণিক অস্ত্র মজুদ করছে এবং আত্মরক্ষার্থে উত্তর কোরিয়াও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি এবং এর পরীক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে এ অঞ্চলে শান্তি-অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
কোরীয় জনগণের মহান নেতা প্রেসিডেন্ট কিম ইল সুংয়ের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব জুসে আইডিয়া আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত আরআই সং হিউন, জাতীয় পার্টির (জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম প্রমুখ।