সোহেল তাজের চোখে স্বৈরাচারী শাসনের আট বৈশিষ্ট্য

প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০১৮      

সমকাল প্রতিবেদক

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ নিজের ফেসবুক পেজ থেকে 'স্বৈরাচারী শাসন' বিষয়ে এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এই স্ট্যাটাসে স্বৈরাচারী শাসনের আটটি বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এই স্ট্যাটাসটি দেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় চার নেতার অন্যতম তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে সোহেল তাজ। এতে তিনি বলেন, 'বঙ্গবন্ধু এবং তাজউদ্দীন আহমদের হাতে গড়া সংগঠন আওয়ামী লীগ তার জন্মলগ্ন থেকে গণমানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনেছে এই দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য। পরবর্তীতে একই ধারায় আওয়ামী লীগ জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে।'

সোহেল তাজ লিখেছেন, 'ইদানীংকালে আমরা অনেকেই স্বৈরাচারী শাসন কী তা হয়তো ভুলে গিয়েছি।

নতুন প্রজন্মের জন্য ছোট্ট করে নিচে কিছু নমুনা দিলাম, যাতে করে আমরা ভবিষ্যতে স্বৈরাচার কী তা চিহ্নিত করতে পারি।'

সোহেল তাজের মতে, স্বৈরাচারী শাসন চেকলিস্টের আটটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- যখন সাধারণ মানুষ তার মুক্তচিন্তা জানাতে ভয় পায়; যখন দল, সরকার এবং রাষ্ট্র একাকার হয়ে যায় আর সরকারকে সমালোচনা করলে সেটাকে রাষ্ট্রদ্রোহ বলে আখ্যায়িত করা হয়; যখন দেশের প্রচলিত নানা আইন এবং নতুন নতুন আইন সৃষ্টি/তৈরি করে তার অপব্যবহার করে রিমান্ডে নেওয়া এবং নির্যাতন করা হয়; বিনা বিচারে হত্যা ও গুম করা হয়; রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ব্যবহার করা হয়; আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থাকে পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয়; যখন সাধারণ নাগরিকসহ সবার কথাবার্তা, ফোনালাপ ও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট মনিটর ও রেকর্ড করা হয় এবং যখন এই সমস্ত বিষয় রিপোর্ট না করার জন্য সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়।