ট্রাফিক আইন ভাঙলে পুলিশকেও কোনো ছাড় নয় -ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

সমকাল প্রতিবেদক

পুলিশের কোনো সদস্য ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে তাকে এক চুলও ছাড় দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেছেন, পুলিশের প্রতিটি গাড়িতে ব্লু বুক ও বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর শাহবাগে ট্রাফিক সচেতনতামূলক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অবশ্য সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো নিয়ে ডিএমপি কমিশনার এও বলেছেন, ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন ছাড়া শুধু আইন প্রয়োগ করে সড়কের শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয়। সড়কে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যানবাহন ও জনগণের আইন না মানার প্রবণতা ঢাকা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থার প্রধান সমস্যা। আইন না মানলে ট্রাফিক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানীতে মাসব্যাপী ট্রাফিক আইন প্রয়োগ ও ট্রাফিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু হয়। এর অংশ হিসেবেই গতকাল শাহবাগ মোড়ে ডিএমপি কমিশনার ট্রাফিক সচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করেন ও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। পরে ট্রাফিক সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, রোভার স্কাউট, গার্ল গাউডস, রেড ক্রিসেন্ট, বিএনসিসি, পরিবহন মালিক-শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক মো. আক্তারুজ্জামান, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল, প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক শামছুল হক, নিরাপদ সড়ক চাইর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদসহ বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের কয়েকজন সদস্য।

ট্রাফিক সচেতনতামূলক এই অনুষ্ঠানের সময়েও শাহবাগ থেকে কারওয়ানবাজার পর্যন্ত সড়কে নানা বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। বাসের চালকরা ওই সড়কের নির্ধারিত স্টপেজ ছাড়াই যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছিলেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, রাস্তা পারাপারে পথচারীদেরও সচেতন হতে হবে। যত্রতত্র রাস্তা পারাপার না হয়ে নির্ধারিত স্থান দিয়ে রাস্তা পারাপার হতে হবে। ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরাতে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়িয়ে আইন মেনে চলতে হবে। এরই মধ্যে ঢাকা শহরে ১২১টি স্থানে পুলিশের পক্ষ থেকে বাস স্টপেজের চিহ্ন বসানো হয়েছে। রাস্তার বাম পাশ ঘেঁষে বাস দাঁড়াবে। বাস স্টপেজ ও বাস-বে তৈরির কাজ চলছে।

ঢাবি উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, সড়কের বাস্তবতার নিরিখে ব্যবস্থা নিতে হবে। সড়কের অবকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি। পর্যাপ্ত ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাস নির্মাণ করে মানুষের নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক আইন মানতে সবার চেতনাকে জাগ্রত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন পরিবহন মালিক নেতা খন্দকার এনায়েত উল্লাহ।

নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ আইন মানে না। পুলিশের একার পক্ষে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয়। পথচারী ও জনগণকেও সচেতন হতে হবে।

কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, অনুষ্ঠানে বসেই দেখছিলাম ১১ জন পথচারী মোবাইলে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছেন। এটা সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। যেসব পথচারী এমনটা করছেন, তাদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।





মরা চড়কও 'প্রাণ' পায় অমলের ঢোলে

মরা চড়কও 'প্রাণ' পায় অমলের ঢোলে

বড়াল নদীর পাড়। বোঁথর চড়কবাড়ি গ্রাম। গ্রাম বললে খানিকটা ভুল ...

আনিসের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে চান আতিক

আনিসের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে চান আতিক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র নির্বাচিত হলে প্রয়াত মেয়র ...

কথা রাখেননি ব্যবসায়ীরা

কথা রাখেননি ব্যবসায়ীরা

সম্প্রতি দেশে চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩ থেকে ৭ টাকা। ...

মামলায় বিপাকে বিএনপি

মামলায় বিপাকে বিএনপি

অসংখ্য মামলায় অভিযুক্ত ও কারাগারে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি নিয়ে বিপাকে ...

রাস্তা পার হতে গিয়ে পরপারে কলেজছাত্রী

রাস্তা পার হতে গিয়ে পরপারে কলেজছাত্রী

সকালে কলেজে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হয় শিক্ষার্থী সোমা। ...

ইচ্ছামতো চলছে বাস, পথচারীও

ইচ্ছামতো চলছে বাস, পথচারীও

শাহবাগ মোড় থেকে বাংলামটর যাওয়ার রাস্তাটি পুরোটাই ফাঁকা। তবে ট্রাফিক ...

২২৬ আইডি পেজ শনাক্ত

২২৬ আইডি পেজ শনাক্ত

ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক মন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ...

এবার চ্যাম্পিয়নদের হারাল সিলেট

এবার চ্যাম্পিয়নদের হারাল সিলেট

তলানিতে পড়ে থাকা দল রাজশাহীর কাছে এরআগে ম্যাচ হেরেছে গেলবারের ...