সাক্ষরতায় ১০ বছরে দেশের চিত্র পাল্টে যাবে -গণশিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, সাক্ষরতার চিত্রে আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ পাল্টে যাবে। এ সময়ের মধ্যে দেশের মানুষ সাক্ষরতার জ্ঞান নিয়ে নিজেদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করবে। গতকাল রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেন, মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আসিফ উজ জামান, উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক তপন কুমার ঘোষ। 'সাক্ষরতা অর্জন করি, দক্ষ হয়ে জীবন গড়ি'- এ প্রতিপাদ্যে এবার সারাবিশ্বে সাক্ষরতা দিবস পালিত হয়।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এরই মধ্যে শিক্ষার সুযোগবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরজ্ঞান, জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীবিকায়ন, দক্ষ মানবসম্পদে পরিণতকরণ, আত্মকর্মসংস্থানের যোগ্যতা সৃষ্টিকরণ এবং বিদ্যালয়বহির্ভূত ও ঝরেপড়া শিশুদের শিক্ষার বিকল্প সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ২০১৪ সালে উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়েছে। তিনি বলেন, এখন কেউ শুধু লিখতে-পড়তে পারলেই তাকে সাক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন বলা হয় না। পড়ালেখার পাশাপাশি কর্মদক্ষ হতে হয়। এই চিত্র আগামী ১০ বছরে পাল্টে যাবে। সাক্ষরতা মানে একজন শিক্ষিত ও দক্ষ ব্যক্তিকে বোঝাবে।

সাংসদ মোতাহার বলেন, দেশের একটি অংশ নিরক্ষর থাকবে, এটি ভেবেই বঙ্গবন্ধু গণসাক্ষরতা কার্যক্রম শুরু করেন। সাক্ষরতার জ্ঞান নিয়ে যেন তাদের কর্মসংস্থান তৈরি হয়, সেটিই ছিল বঙ্গবন্ধুর মূল লক্ষ্য।

উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও শিক্ষক এবং ইউনেস্কো ও বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা।