খালেদা জিয়ার চিকিৎসা

সিদ্ধান্ত নেবে কারা কর্তৃপক্ষ -তোফায়েল আহমেদ

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

সমকাল প্রতিবেদক

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু তিনি সে প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। বিএনপির দাবি, বেসরকারি হাসপাতালে তার চিকিৎসা দিতে হবে। তাকে অন্য কোনো হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হবে কি-না সেটা কারা কর্তৃপক্ষের বিষয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার বিচার হচ্ছে আদালতে। এখানে সরকারের কিছু করার নেই।

গতকাল রোববার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তোফায়েল আহমেদ। কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের ষষ্ঠ জাতীয় কনভেনশন উপলক্ষে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী  আকবরের  সভাপতিত্বে সেমিনারে তিনটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. এসপি গুপ্ত, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দিন শাহ এবং ড. কাটিনকো ডি বালাগ। সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এএফএম বাহাউদ্দিন নাছিম।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি যখন কুমিল্লা জেলে বন্দি ছিলেন, তার চিকিৎসাও বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতালে হয়েছে। এর চেয়ে ভালো হাসপাতাল তো দেশে নেই। এখানে সব বড় ডাক্তার আছেন। দেশের বড় সব নেতার চিকিৎসা এখানে হয়েছে।

নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে খালেদা জিয়ার বিচার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে কারাগারে বিচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ কারাগারে কর্নেল তাহেরসহ বড় রাজনৈতিক নেতাদের বিচার হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি গোলযোগ সৃষ্টি করতে চায়। এ সুযোগ তারা পাবে না। ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির উচিত নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া। দলটি নির্বাচন করতে চায় না। গোলমাল বাধাতে চায়। কিন্তু তাদের সামনে কোনো ইস্যু নেই, তাই খালেদা জিয়ার বিচার ও চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে অনেক ভালো করেছে। রফতানি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। রফতানি আয় এখন ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ মৎস্য রফতানিতে বিশ্বে চতুর্থ এবং সবজি রফতানিতে তৃতীয়। তিনি বলেন, দেশের কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় কৃষিপণ্যের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করতে আবারও ২৮ ভাগ আমদানি শুল্ক্ক আরোপ করা হয়েছে।