চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে শিক্ষামন্ত্রী

সবার সহায়তা পেলে প্রশ্ন ফাঁস রোধ সম্ভব

প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০১৯

চাঁদপুর প্রতিনিধি

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহায়তা পেলে প্রশ্ন ফাঁস রোধ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। গত দশ বছরে শিক্ষা খাতে অনেক সাফল্য রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সামনে এগোতে নানা চ্যালেঞ্জ আসবে। সেগুলো মোকাবেলা করে সবার সহযোগিতা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের পরিচিতি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নতুন এই মেডিকেল কলেজ ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করছে।

বিগত দিনে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া সম্পর্কে দীপু মনি বলেন, যারা অসদুপায় অবলম্বন করে তারা নানা ফাঁকফোকর খুঁজে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন খুঁজে বের করে। আমাদের দায়িত্ব, এটি যাতে কোনোভাবেই বের না হয় এবং এক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিরাট ভূমিকা

রাখতে পারেন। তিনি প্রশ্ন ফাঁসকারীদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. জামান সালাউদ্দিন।

মঞ্চ থেকে নেমে শিক্ষার্থীদের ফুল দিলেন দীপু মনি :কথা ছিল, নবীন শিক্ষার্থীরা একে একে মঞ্চে উঠে প্রধান অতিথি দীপু মনির হাত থেকে ফুল নেবেন। কিন্তু মঞ্চ থেকে ফুল হাতে নেমে এসে কাউকে বুকে জড়িয়ে, কাউকে কাছে টেনে হাতে ফুল তুলে দিলেন মন্ত্রী নিজেই। এ সময় তাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে আসা শত শত অতিথি এ দৃশ্যে মুগ্ধ হন।

কয়েকজন শিক্ষার্থী বললেন, 'সত্যিই আজ আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। কারণ আমরা একজন শিক্ষামন্ত্রীর কাছ থেকেই ফুল নিলাম না, মনে হলো যেন একজন প্রাক্তন মেডিকেল শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আশীর্বাদ নিলাম। এটি ভোলার নয়। যতদিন এই মেডিকেল কলেজে থাকব ততদিনই তার কাছ থেকে এ রকম ভালোবাসা আদায় করতে পারব। কারণ তিনি চাঁদপুর-৩ আসনের সাংসদও।'

শিক্ষার্থীদের হাতে ফুল দেওয়া শেষে মঞ্চে গিয়ে দীপু মনি বলেন, '১৯৮৩ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হই। সেদিন অনেক ভালো লেগেছিল। আজ ভালো লাগছে মেডিকেলের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী হয়ে আমারই জন্মস্থান চাঁদপুরে আমার অনুজদের বরণ করে নেওয়ায়। পরে তিনি সৈয়দ শামসুল হকের 'আত্মপরিচয়' কবিতা আবৃত্তি করে শোনান।