বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

মেধা তালিকার প্রথমসহ শীর্ষ ৯ শিক্ষার্থী আটক

প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০১৯

রংপুর অফিস ও বেরোবি প্রতিনিধি

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মেধা তালিকার শীর্ষে থাকা ৯ শিক্ষার্থীসহ ১২ ভুয়া পরীক্ষার্থীকে সাক্ষাৎকার চলাকালে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার চারজনকে এবং আগের দিন ৮ জনকে আটক করা হয়। তাদের সবাইকে জালিয়াতির দায়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বেরোবি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সাক্ষাৎকার ও ভর্তি চলাকালে ভুয়া শিক্ষার্থী সন্দেহে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের দ্বিতীয়স্থান অধিকারী মুক্তাগাছার মোস্তাফিজুর রহমান, জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদের দ্বিতীয় স্থান অধিকারী সিরাজগঞ্জের ভেওড়ামারার মাহিদুল ইসলাম মৃদুল ও একই অনুষদের ষষ্ঠ স্থান অধিকারী রেজাউল করিমকে আটক করা হয়। পরে

আরও একজন জালিয়াতির কথা স্বীকার করলে তাকেও পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

এর আগে বুধবার একই অভিযোগে ভর্তি সাক্ষাৎকার দিতে আসা ৮ শিক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশ। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন শিফটে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকারী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জের মারুফ হাসান, একই অনুষদের দ্বিতীয় স্থান অধিকারী রাকিবুল ইসলাম শান, তৃতীয় স্থান অধিকারী এস এম নাইম, ষষ্ঠ স্থান অধিকারী শোয়েব হাসান, নবম স্থান অধিকারী শাহরিয়ার ইসলাম, ৩৮তম স্থান অধিকারী রাহাত মজুমদার এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান অনুষদের দ্বিতীয় স্থান অধিকারী শাফিন আহমেদের কথাবার্তায় অসঙ্গতি ও স্বাক্ষরে মিল না থাকায় ভাইভা বোর্ডের সদস্যরা আটক করে তাদের পুলিশে দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবু কালাম মো. ফরিদ উল ইসলাম বলেন, আটক শিক্ষার্থীদের জালিয়াতি প্রমাণ পাওয়ায় তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সাক্ষাৎকারে কথাবার্তায় অসঙ্গতি, স্বাক্ষরে অমিল ও সাক্ষাৎকার দিতে আসা শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রবেশপত্রের ছবির মিল না থাকায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন সাক্ষাৎকার বোর্ডের সদস্যরা।

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মুহিব্বুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি দু'দিনে মোট ১১ শিক্ষার্থীকে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।