বিশ্ব পাসপোর্ট সূচকে তিন ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০১৯

সমকাল ডেস্ক

বিশ্ব পাসপোর্ট সূচকে গত বছরের চেয়ে তিন ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। এবার ওই সূচক তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম। একই অবস্থানে আছে লেবানন, লিবিয়া ও দক্ষিণ সুদান। গত বুধবার প্রকাশিত হেনলি পাসপোর্ট সূচকে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ৪১টি দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার আছে বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী নাগরিকদের। এ তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছে জাপান এবং সবার নিচে ইরিত্রিয়া। খবর ইউএনবির।

ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইএটিএ) সহায়তায় ২০০৬ সাল থেকে প্রকাশিত হচ্ছে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স। এআইটিএ বিশ্বের পর্যটকদের তথ্যভিত্তিক সবচেয়ে বড় ডাটাবেজ। এবারের সূচকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে

ভারত। দেশটির অবস্থান ৭৯তম। তাদের ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার রয়েছে ৬১টি দেশে। তবে বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে পাকিস্তান। সূচকে দেশটি ১০২ নম্বর অবস্থানে রয়েছে। তাদের ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার আছে ৩৩টি দেশে। ৯৫তম অবস্থানে থাকা শ্রীলংকার ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার রয়েছে ৪৩টি দেশে। ৯৮তম স্থানে থাকা নেপালের ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার রয়েছে ৪০টি দেশে। আর ৪৮টি দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকারের সুবিধাপ্রাপ্ত মিয়ানমারের অবস্থান ৯০তম।

এ তালিকায় দু'বছরের মধ্যে ২০ ধাপ অগ্রগতি হয়েছে চীনের। তারা ২০১৭ সালে ছিল এ সূচকে ৮৫তম স্থানে। এ বছর তাদের অবস্থান ৬৯তম।

সূচক তালিকার শীর্ষে থাকা জাপানের পাসপোর্টধারী ব্যক্তি ভিসা ছাড়া ১৯০টি দেশে প্রবেশ করতে পারেন। এর পরের অবস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়া। দেশ দুটির নাগরিকরা ১৮৯টি দেশে এ সুযোগ পান।

সুবিধাজনক অবস্থানে আছে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো। এ সূচকে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স ও জার্মানি। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক, ইতালি, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন। ১৮৭টি দেশে তাদের রয়েছে ভিসামুক্ত প্রবেশের সুযোগ। যৌথভাবে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। এ দুই দেশের নাগরিকরা ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান ১৮৫টি দেশে। অন্যদিকে কানাডা অবস্থান করছে সপ্তম স্থানে।

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ১০টি পাসপোর্ট হলো জাপান, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, ফ্রান্স ও জার্মানি, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ইতালি ও সুইডেন, লুক্সেমবার্গ ও স্পেনের। আর সবচেয়ে কম শক্তিশালী পাসপোর্টধারী দেশ আফগানিস্তান ও ইরাক, সোমালিয়া ও সিরিয়া, পাকিস্তান, ইয়েমেন ও ইরিত্রিয়া।