জৈন্তাপুরে আ'লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী লিয়াকত আলী

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সিলেটের জৈন্তাপুর থেকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী এম লিয়াকত আলী। এ জন্য তিনি এলাকায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রতিদিন তিনি গণসংযোগ করছেন।

বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও দানশীল লিয়াকত আলী বর্তমানে জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বাউরবাগ উচ্চ বিদ্যালয় ও ব্রিগেডিয়ার মজুমদার বিদ্যানিকেতনের সভাপতি। উপজেলা ক্রীড়া সংস্থারও সাধারণ সম্পাদক তিনি। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট আশাবাদী। ইতিমধ্যে সিলেট জেলা থেকে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে যে চারজনের নাম পাঠানো হয়েছে, তাদের মধ্যে লিয়াকত আলী অন্যতম। তামাবিল কয়লা ও

চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি লিয়াকত আলী এলাকায় একজন সুপরিচিত নেতা। ১৯৯১ সাল থেকে এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বর্তমান প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমেদের বিশ্বস্ত সহচর।

বাউরবাগ মুন্সী ফৌদ গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর সুযোগ্য সন্তান লিয়াকত আলী বিদ্যোৎসাহী ও সমাজসেবক হিসেবে স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সংশ্নিষ্ট রয়েছেন। জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চান এই আওয়ামী লীগ নেতা। এলাকায় রয়েছে তার নিজস্ব ভোট ব্যাংক।

আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত আলী জানান, ১৯৯১ সাল থেকে আওয়ামী লীগের পক্ষে এলাকার তৃণমূল জনগণের সঙ্গে কাজ করছেন। চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে নিজেকে একজন যোগ্য ব্যক্তি দাবি করে তিনি বলেন, 'আমি আধুনিক জৈন্তাপুর গড়তে চাই। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে চাই।'

দুই নম্বর জৈন্তাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সেলিম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদসহ অনেকেই জানিয়েছেন, লিয়াকত আলীকে তৃণমূল নেতারা চান। তার অনেক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তারা জানান, বর্তমানে এ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা জয়নাল আবেদীন। তাকে পরাজিত করতে হলে উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে লিয়াকত আলীর বিকল্প নেই। লিয়াকত আলীকে মনোনয়ন দেওয়া হলে আওয়ামী লীগের বিজয় সুনিশ্চিত। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের সহসভাপতি আবদুস সালাম সমকালকে বলেন, জৈন্তাপুর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কামাল আহমেদ একজন চিহ্নিত রাজাকারের সন্তান। এটা লুকানোর কিছুই নেই, এটাই ইতিহাস। কামাল আহমেদের বাবা হাজি মনিরউদ্দিন ও চাচা মাস্টার আজিরউদ্দিন দু'জনই রাজাকার। রাজাকারের সন্তানরা নির্বাচনে অংশ নিলে জনগণ তা প্রতিহত করবে।

এলাকার মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা জানিয়েছেন, বিগত নির্বাচনে কামাল আহমেদ আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন। ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। তিনি সব সময় জামায়াতের সঙ্গে আঁতাত করে নির্বাচন করেন। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লিয়াকত আলীকে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূল আওয়ামী লীগ বিজয় ছিনিয়ে আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্থানীয় নেতারা।