মেট্রোরেলের বগির নকশা চূড়ান্ত

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

মেট্রোরেলের কোচের (বগি) নকশা চূড়ান্ত করেছে নির্মাতা জাপানের প্রতিষ্ঠান কাওয়াসাকি-মিৎসুবিসি কনসোর্টিয়াম। বগির মক-আপ বা রেপ্লিকা তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। মেট্রোরেলের বাস্তবায়নকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান 'ঢাকা ম্যাস ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড' (ডিএমটিসিএল) গত বৃহস্পতিবার তাদের ফেসবুক পেজে এর ছবি প্রকাশ করে।

জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) ঋণে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ী থেকে মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রোরেলের (এমআরটি-৬) নির্মাণকাজ চলছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো মেট্রোরেল চলার পথ নির্মাণ করছে। জাপানে চলছে বগি ও ইঞ্জিন নির্মাণের কাজ। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এগুলো দেশে আসার কথা রয়েছে।

মেট্রোরেল প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, আসল বগি-ইঞ্জিন তৈরির আগে রেপ্লিকা তৈরি করা হচ্ছে। ডিএমটিসিএলের নোটিশে জানানো হয়েছে, বগি-ইঞ্জিন নির্মাণকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনায় ১২ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি জাপানে বৈঠক হবে। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল রেপ্লিকা পরিদর্শন করবে।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, বগির গায়ে বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে লাল-সবুজের ছোঁয়া থাকবে। প্রতিটি কোচে ছয়টি বগি থাকবে। কোচের যাত্রী ধারণক্ষমতা হবে এক হাজার ৭৩৮। বগির উভয় পাশে থাকবে চারটি দরজা। মেট্রোরেলের ট্র্র্যাক নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর তাতে বসবে বগিগুলো এবং বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে। এর পরই চলাচল শুরু করবে স্বপ্নের মেট্রোরেল। প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ও আগারগাঁও

থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দুটি অংশে ভাগ করে মেট্রোরেলের কাজ চলছে। প্যাকেজ ৩ ও ৪-এর আওতায় উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট ও ৯টি স্টেশন নির্মাণকাজ চলছে। উভয় প্যাকেজের কাজ ২০১৭ সালের ১ আগস্ট শুরু হয়। টেস্ট পাইল, চেক বোরিং এবং মোট ৭৬৬টি পাইল ক্যাপের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৩৫টির নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এ ছাড়া আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বাকি অংশের কাজও চলছে।