ঢাবিতে স্মরণসভায় এ. কে. আজাদ

ড. জাহিদ হাসান সমাজ পরিবর্তনের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

 ড. জাহিদ হাসান সমাজ পরিবর্তনের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় অধ্যাপক ড. জাহিদ হাসান মাহমুদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত হয়- সমকাল

শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের সদ্য প্রয়াত শিক্ষক অধ্যাপক ড. জাহিদ হাসান মাহমুদকে স্মরণ করলেন তারই দীর্ঘদিনের কর্মস্থলের সহকর্মী ও ছাত্ররা। তার উদ্দেশে আয়োজিত এক স্মরণসভায় বক্তারা বলেছেন, ড. জাহিদ হাসান শুধু শিক্ষাবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্নদ্রষ্টা।

গতকাল সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ এ স্মরণসভার আয়োজন করে। বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা  ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ. কে. আজাদ। বেশ কিছুদিন অসুস্থ থাকা অবস্থায় গত ২৯ জানুয়ারি ইন্তেকাল করেন ড. জাহিদ হাসান।

এ. কে. আজাদ বলেন, ড. জাহিদ হাসানের অসমাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে এগিয়ে নিতে হবে। তাহলেই তার আত্মা শান্তি পাবে এবং তাকে মূল্যায়ন করা হবে। ড. জাহিদ হাসানের মতো একজন শিক্ষাবিদকে যথাযথভাবে মূল্যায়নের দাবি জানিয়ে এ. কে. আজাদ বলেন, তার আদর্শ পরবর্তী প্রজন্ম তথা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। বিভাগের পক্ষ থেকে আরও বড় শোক পালনের প্রস্তাব দেন তিনি।

স্মরণ সভায় মরহুমের পরিবারের পাশাপাশি বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তার মহানুভবতা এবং অবদানের কথা তুলে ধরেন।

বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ এইচ এম আসাদুল হক বলেন, বিভাগে তার মতো গুণী শিক্ষকের অবদান, তার গবেষণা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার অভাব এই বিশ্ববিদ্যালয় সব সময় অনুভব করবে।

বিভাগের মাস্টার্স অধ্যয়নরত এক শিক্ষার্থী অধ্যাপক জাহিদের স্মৃতিচারণ করে বলেন, কলা অনুষদের এক শিক্ষার্থীর কোনো এক বিশেষ প্রয়োজনে এক লাখ টাকা প্রয়োজন ছিল। স্যার ওই ছাত্রকে সেই পরিমাণ টাকা দিয়ে দেন। দুই বছরে সেই ঋণ পরিশোধ করেন ওই ছাত্র।

সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ড. জাহিদ হাসানের প্রবাসী ছাত্ররা শিক্ষক হিসেবে তার অবদান তুলে ধরেন।