ভাসানটেকে অগ্নিকাণ্ড

ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে হা-মীম গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০১৯

সমকাল প্রতিবেদক

ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে হা-মীম গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

রাজধানীর ভাসানটেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য হা-মীম গ্রুপসহ কয়েক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে দেওয়া ত্রাণ বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী সমকাল

ভাসানটেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীর মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছে হা-মীম গ্রুপসহ কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। গতকাল বুধবার ভাসানটেক পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ৭০৬টি পরিবারের হাতে এসব ত্রাণ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি

উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী। ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারপ্রতি ২০ কেজি চাল ও নগদ চার হাজার টাকা দেওয়া হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তৌফিক-ই-ইলাহী বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করতে প্রথম দিন থেকেই সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষের সরকার। তাদের সাহায্য করাই এই সরকারের মূল দায়িত্ব। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ক্ষতিগ্রস্তদের

খোঁজখবর রেখেছেন। তারা যাতে আবার স্বাভাবিকভাবে জীবন-যাপন করতে পারেন তার উদ্যোগ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে হা-মীম গ্রুপের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ ২৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলা ক্যাট ও নিউ এইজ গ্রুপ সহযোগিতা করে। এ সময় ঢাকা জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস, জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার খান, হা-মীম গ্রুপের পরিচালক সাজিদ আজাদ, তমাল হোসেন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) সাইদুর রহমান, সমাজসেবী আবুল কাশেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস বলেন, সরকার প্রত্যাশা করে ক্ষতিগ্রস্তরা যেন আগের মতো জীবন-যাপন করতে পারেন। এ জন্য শুরু থেকেই সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা খোঁজখবর নিয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের পরই সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে।

হা-মীম গ্রুপের পরিচালক সাজিদ আজাদ বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকে নিঃস্ব হয়েছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক কর্তব্য। সেই দায় থেকেই হা-মীম গ্রুপ এগিয়ে এসেছে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে সবারই কাজ করা প্রয়োজন।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ভাসানটেকে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ শতাধিক বস্তিঘর পুড়ে যায়। এ সময় তিনজনের মৃত্যু হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকে এখনও মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।