মহেশপুরে যুবক ও জীবননগরে সন্ত্রাসীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০১৯      

সমকাল ডেস্ক

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার আলম ইটভাটা-সংলগ্ন সড়কের পাশ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে বুকে ও মাথায় গুলিবিদ্ধ এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মহেশপুর থানার ওসি রাশেদুল আলম জানান, নিহত লিটু উপজেলার বাদুমাজি গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে। অন্যদিকে, চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমরান হোসেনের (২৭) গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সকালে উপজেলার ঝিঙেখালী মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ইমরান আলমডাঙ্গা উপজেলা শহরের কলেজপাড়ার অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল আবদুর রহমানের ছেলে। লিটু সন্ত্রাসী ইমরানের সহযোগী বলে জানা গেছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

ঝিনাইদহ :গতকাল সকালে লিটুর লাশ অজ্ঞাত হিসেবে উদ্ধার করে পুলিশ। এটি কালীগঞ্জ-জীবননগর

মহাসড়কের ফতেপুর ইউনিয়নের কানাইডাঙ্গা মাঠ সংলগ্ন সড়কের পাশে পড়ে ছিল। লিটুর হাত গামছা দিয়ে বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ লাগানো ছিল।

ওসি বলেন, উপজেলার কানাইডাঙ্গা গ্রামের আলম ইটভাটার শ্রমিকরা ভোরে কাজ করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। সকাল ১১টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। বিকেলে স্বজন লাশটি লিটুর বলে শনাক্ত করেন।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে লিটুর স্বজন অভিযোগ করেন, বুধবার সন্ধ্যার দিকে আলমডাঙ্গা থানার পুলিশ একাধিক সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের সামনে থেকে লিটু ও ইমরানকে আটক করে। পরে পুলিশ অস্বীকার করে। ইমরানের নামে ১৩-১৪টি মামলা থাকলেও লিটুর নামে কোনো মামলা ছিল না। গতকাল সকালে দু'জনের গুলিবিদ্ধ লাশ দুই উপজেলায় পাওয়া যায়। আলমডাঙ্গা থানার ওসি মুন্সি আসাদুজ্জামান বলেন, লিটু ও ইমরানের বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) :সহকারী পুলিশ সুপার আবু রাসেল জানান, সকালে কৃষি কাজ করতে মাঠে যাওয়ার সময় এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ইমরান নামে ওই সন্ত্রাসীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। সে আলমডাঙ্গা এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই, অস্ত্র ব্যবসা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন মামলাসহ মোট ১৪টি মামলা রয়েছে। ইমরানের লাশ চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে পড়ে থাকলেও তার সহযোগী লিটুর লাশ ১০০ হাত অদূরে পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহ সীমান্তের মহেশপুরের অংশে পড়ে ছিল।