ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধে কিশোর খুন

ট্রেনের ছাদে যুবককে ছুরিকাঘাত

প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল এলাকায় আরিফ মিয়া নামে এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ছুরিকাহত হওয়ার পর রাতে তার মৃত্যু হয়। ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ। আরিফ একটি জুতা তৈরির কারখানার কর্মচারী ছিল। এদিকে মহাখালীতে এক যুবককে ছুরিকাঘাতের পর ট্রেনের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। সংকটাপন্ন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত কিশোরের বড় ভাই আওলাদ হোসেন জানান, পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে থাকত আরিফ। গতকাল বিকেলে সে বন্ধুদের সঙ্গে হাইকোর্ট মাঠে ক্রিকেট খেলতে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে বিকেল ৪টার দিকে শহীদুল্লাহ হলের সামনের রাস্তায় ঘটনাটি ঘটে। তখন বিপরীত দিক থেকে আসছিল ১০-১২ জন তরুণ। তাদের একজন প্রথমে আরিফের পায়ে লাথি দেয়। এর প্রতিবাদ করলে সবাই মিলে তাকে মারধর করে। একপর্যায়ে তার বুকের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় ওই তরুণরা। গুরুতর আহত আরিফকে দ্রুত নেওয়া হয় ঢামেক হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তার বাবার নাম হেলাল মিয়া। গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরবে।

শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান সমকালকে বলেন, আরিফ মিয়াকে হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে খেলা নিয়ে বিরোধের একটি তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ট্রেনের ছাদে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা :মহাখালীর আমতলী এলাকার রেললাইন সংলগ্ন এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। বনানী থানার এসআই একেএম নুরুল হক সাংবাদিকদের জানান, সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ছুরিকাহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী ওই যুবক অচেতন থাকায় তার পরিচয় বা ঘটনা সম্পর্কে বিশদ জানা যায়নি।

ঘটনাস্থলে থাকা মাদ্রাসাছাত্র ইব্রাহিম জানান, তারা কয়েকজন বন্ধু রেললাইনের অদূরে বসে ছিলেন। তখন তারা দেখতে পান, ট্রেনের ছাদে ওই যুবককে ছুরিকাঘাত করা হচ্ছে। পরে তাকে ছাদ থেকে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি তারা পুলিশকে জানান।

অবশ্য ঢাকা রেলপথ থানার ওসি ইয়াছিন ফারুক মজুমদার দাবি করেন, ট্রেনের ছাদে এখন কোনো যাত্রীকেই উঠতে দেওয়া হয় না। তাই ছিনতাইয়ের

প্রশ্ন ওঠে না।