সন্ধ্যা নদীর বালু উত্তোলন কার্যাদেশ হাইকোর্টে স্থগিত

প্রকাশ: ২৩ মে ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

বরিশালের বাবুগঞ্জে সন্ধ্যা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কার্যাদেশ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের স্মৃতিবিজড়িত জাদুঘরসহ অন্যান্য স্থাপনা নদীতে বিলীন ঠেকাতে বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না জানতে চেয়ে সংশ্নিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন আদালত। এ-সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল

কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার রুলসহ এ আদেশ দেন।

পাশাপাশি বালু উত্তোলনে ইজারা দেওয়াকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ভবিষ্যতে ওই এলাকায় বালু উত্তোলনের ইজারা না দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তাও রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে। ভূমি সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব, পরিবেশ সচিব, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার,

ঢাকার জেলা প্রশাসকসহ ১১ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মুসাদ্দেক বিল্লাহ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় সন্ধ্যা নদীর বালু উত্তোলনে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের বাড়ি, স্মৃতি জাদুঘরসহ অন্যান্য স্থাপনা নদীতে বিলীন হওয়ার উপক্রম। এ অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দা ও পশ্চিম ভুতেরদিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবদুল কাদের মাল হাইকোর্টে রিট করেন। আদালত ওই রিটের শুনানি নিয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরের স্মৃতি জাদুঘরসহ স্থাপনা রক্ষায় ১ নম্বর জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম তারেকের আবেদনটি ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

জানা গেছে, গত ১৫ এপ্রিল মেসার্স সততা ট্রেডার্স সন্ধ্যা নদী থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতি পায়। এরপর তারা নদী থেকে বালু উত্তোলন শুরু করে।