পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ মে ২০১৯      

বান্দরবান প্রতিনিধি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, পিছিয়ে পড়া, বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চল, চর ও হাওর অঞ্চল- এসব অঞ্চলকে আলাদা করে দেখতেই হবে। পিছিয়ে পড়া অঞ্চল, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিতে সাংবিধানিকভাবেই বলা আছে। সবার জন্য সমান অধিকার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গতকাল বুধবার দুপুরে বান্দরবান জেলা শহরের অরুণ সারকি টাউন হলে অনুষ্ঠিত 'শিক্ষার জন্য আলো ও সোলার চালিত মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম' উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে যে শিক্ষক সংকট রয়েছে, তা শিগগিরই

দূর করা হবে। ২০১৪ সালে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের কাছে মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হস্তান্তর করার যে চুক্তি হয়েছিল, তা নিয়েও আলোচনা করা হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বিদ্যালয়গুলোকে আবাসিক বিদ্যালয় করে শিক্ষার মান উন্নত করা হবে। পার্বত্য অঞ্চলকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হদ্মা'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী বীর বাহাদুর উ শৈ সিং। বক্তব্য দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সোহরাব হোসাইন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, এটুআই প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান, বান্দরবান জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার প্রমুখ।

শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্য শেষে জেলার সাত উপজেলায় বিদ্যুৎবিহীন এলাকার বিদ্যালয়গুলোতে একটি করে সোলার চালিত মাল্টিমিডিয়া সরঞ্জাম ও এক উপজেলায় ৭৮টি করে সোলার বাতি শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন।