আলোচনা সভায় বিশিষ্টজন

বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্য ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার করতে হবে

প্রকাশ: ২৩ মে ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের আওতায় আনা সময়ের দাবি বলে মনে করেন বিশিষ্টজন। প্রত্যক্ষভাবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচার হয়েছে উল্লেখ করে তারা বলেছেন, ইতিহাসের ঘৃণ্য ওই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা ছিলেন তাদেরও খুঁজে বের করতে হবে। তাদের মুখোশ মানুষের সামনে উন্মোচনের পাশাপাশি বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে 'শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও বর্তমান বাংলাদেশ' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বিশিষ্টজন এসব কথা বলেন।

প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম নামে একটি সংগঠন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পেছনে থেকে যারা ষড়যন্ত্র করেছেন, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। কেন সে সময় দূতাবাস সারারাত খোলা ছিল, কাদের সাহায্যে খুনিরা পালিয়ে বিদেশ গিয়েছিল- এসব প্রশ্নের উত্তর জড়িতদের কাছ থেকে বের করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধকে বানচাল করতে জিয়াউর রহমান, মোশতাকের মতো আরও অনেকে পাকিস্তানের গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করেছিলেন, তাতের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন অভিযোগ করে তিনি বলেন, খুনের পরিকল্পনা জিয়া ও তার গং

একদিনে করেননি। এটি ছিল ধারাবাহিক একটি প্রক্রিয়া। জিয়া ক্ষমতা দখলের পর সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে শিশুপার্ক করে ফেলবেন। এর কারণ হচ্ছে, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এখানেই আত্মসমর্পণ করেছিল, বঙ্গবন্ধু এখান থেকেই স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন।

সংগঠনের আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ, কলামিস্ট অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস এবং কবি ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক গাউসুর রহমান।