ঘুষ দিলে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওসি মোয়াজ্জেম দেশেই গ্রেফতারও শিগগির

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ডিআইজি মিজানুর রহমান নিশ্চয়ই অপরাধ ঢাকতে ঘুষ দিয়েছেন। তার আগের অপরাধের বিচার চলছে। নতুন করে যদি ঘুষ দেওয়ার মতো অপরাধ করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল বুধবার কারা অধিদপ্তরে এক অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও জানান, সোনাগাজীর সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন দেশেই আছেন। তাকে শিগগিরই গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।

কারা অধিদপ্তরের কারা কনভেনশন সেন্টারে দিনব্যাপী 'উদ্ভাবনী মেলা ও শোকেসিং ২০১৯' শীর্ষক অনুষ্ঠান উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন মন্ত্রী।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তাকে ডিআইজি মিজানুরের ঘুষ দেওয়ার বিষয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, নিশ্চয়ই তার কোনো দুর্বলতা আছে। তা না হলে তিনি কেন ঘুষ দেবেন? ঘুষ দেওয়া-নেওয়া দুটোই অপরাধ।

দ্বিতীয় বিয়ের তথ্য গোপন করতে ক্ষমতার অপব্যবহার, দ্বিতীয় স্ত্রীকে গ্রেফতার-হয়রানি এবং টেলিভিশনের এক সংবাদ পাঠিকা ও নারী রিপোর্টারকে যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে ডিআইজি মিজানুরের বিরুদ্ধে। পরে তার দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান

করে দুদক। সেই অনুসন্ধানের সময় দুদক কর্মকর্তা খন্দকার এনামুল বাছির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন- এমন অভিযোগ তুলে আবারও আলোচনায় আসেন মিজানুর। তিনি তার বক্তব্যের সপক্ষে ঘুষ লেনদেনের অডিও কথোপকথন প্রকাশ করেন।

এদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় পরোয়ানাভুক্ত আসামি ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেফতার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাকে ধরা যাচ্ছে না, বিষয়টি ঠিক নয়। তার বাইরে যাওয়ার সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ফেনীতে হত্যাকাে র শিকার মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোর অভিযোগে মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর থেকে তিনি পলাতক।

এ প্রসঙ্গে রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, 'যদি কেউ পলাতক হয়, তাকে গ্রেফতারে একটু সময় তো লাগবে।'