উপজেলা নির্বাচন

মাদারীপুরে সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৩৫

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০১৯     আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯

মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজল কৃষ্ণ দে ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের ভাই অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান কালুর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে নারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নের মধ্য গাছবাড়িয়া গ্রামে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। পুলিশ এ ঘটনায় ১১ জনকে আটক করেছে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গতকাল সকালে মধ্য গাছবাড়িয়া গ্রামের তালুকদারবাড়ি দোকানের সামনে পোস্টার টাঙাতে যায় কাজল কৃষ্ণ দের সমর্থকরা। এ সময় বিদ্রোহী প্রার্থী ওবায়দুর রহমান কালুর সমর্থক লাল মিয়া মাতুব্বর ও শহিদ মাতুব্বরের লোকজন অতর্কিত তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে দুই পক্ষ দেশি অস্ত্রশস্ত্রে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে দু'পক্ষের অন্তত ৩৫ জন আহত হন। তাদের মধ্যে গাছবাড়িয়া গ্রামের তালিব মাতুব্বর, শান্ত চৌকিদার, পিয়াল মোল্লা, সজল হাওলাদার, নুর জামাল সর্দার, আমিনুর মাতুব্বর, আব্দুল চৌদিকার, সাকিব মাতুব্বর, আয়নাল মাতুব্বর, বাদল মাতুব্বর, নাসির ব্যাপারী, সাব্বির শেখ, মহিউদ্দিন শেখ, ইকবাল চৌকিদার, বাকা চৌকিদার, সেরাজুল খান, শিউলী বেগমের নাম জানা গেছে। তাদের মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মাদারীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক বলেন, উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌকার প্রার্থী ও একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি শান্ত করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।

নলডাঙ্গায় বিদ্রোহী প্রার্থীর পোস্টারে আগুন, মাইক ভাংচুর : নাটোর প্রতিনিধি জানান, নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) প্রকৌশলী আহমদ আলী শাহের ঘোড়া প্রতীকের পোস্টারে অগ্নিসংযোগ ও মাইক ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার ব্রহ্মপুর ইউনিয়নের শাঁখারীপাড়া বাজারে প্রচার চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

আহমদ আলী শাহ অভিযোগ করে বলেন, শাঁখারীপাড়া বাজার এলাকায় তার পক্ষে মাইকিংকালে নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা ১৫-২০টি মোটরসাইকেলে এসে মাইক ভাংচুর এবং তার সমর্থকদের কাছ থেকে কয়েকশ' পোস্টার কেড়ে নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ঘটনা সংশ্নিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নলডাঙ্গা থানার ওসিকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, তার সমর্থকরা নৌকার পক্ষে গণসংযোগে ব্যস্ত রয়েছে। কারও গণসংযোগে বাধাদানের মতো সময় তাদের হাতে নেই।