হাসপাতালে বোমা

বিএনপির সংযোগ আছে কি-না দেখা প্রয়োজন :তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০১৯      

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে পেট্রোল বোমা সদৃশ বোতল উদ্ধারের ঘটনার সঙ্গে খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড বা অন্য কোনো হাসপাতালে সরাতে বিএনপির পরিকল্পনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি-না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। গতকাল শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজী পুকুরপাড়ের বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে সব সময় খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসা নেবেন না বলা হচ্ছিল। একটি বিশেষ হাসপাতালের কথা তিনি এবং তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়। এখন খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে যে চিকিৎসা নিতে চান না, বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়া সেই পরিকল্পনারই কোনো অংশ কি-না, সেটি বরং খুঁজে বের করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, রিজভী আহমেদ কারণে অকারণে প্রতিদিনই সংবাদ সম্মেলন করেন। এই পেট্রোল বোমার সঙ্গে রিজভী আহমেদরাই ভালো পরিচিত। তার উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ জানি না। তাদের কর্মীরাই ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে পেট্রোল বোমা মানুষের ওপর নিক্ষেপ করেছে। শত শত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। বাস-ট্রাক পুড়িয়েছে। হাজার হাজার মানুষকে আগুনে ঝলসে দিয়েছে। ঘুমন্ত মানুষের ওপর পেট্রোল বোমা মেরেছে। এখন হাসপাতালে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়ায় বরং আমরা বেশি উদ্বিগ্ন।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের দিন দেখা করতে না দিয়ে জেল কোড লঙ্ঘন করা হয়েছে- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, নিজের মতো ব্যাখ্যা না দিয়ে মির্জা ফখরুলের উচিত ছিল জেল কোড ভালো করে পড়ে নেওয়া। জেল কোডে বলা আছে, উৎসবের দিনে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবকে দেখা করতে দিতে হবে। মির্জা ফখরুলসহ দলের ঊর্ধ্বতন নেতারা খালেদা জিয়ার বন্ধু-বান্ধব নন, তারা হলেন রাজনৈতিক নেতা বা সহকর্মী। এখানে জেল কোডের কোনো লঙ্ঘন হয়নি। দলীয় নেতারা সেই ক্যাটাগরির মধ্যে পড়েন না। খালেদা জিয়ার সাত আত্মীয়স্বজনকে তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়েছে।