খিচুড়ি খেয়ে বিষক্রিয়া

পাবনায় আরও ১১৮ জন হাসপাতালে

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০১৯

পাবনা অফিস

পাবনা সদর উপজেলার বলরামপুর গ্রামে মিলাদের খিচুড়ি খেয়ে বিষক্রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত রোববার বিকেল থেকে গতকাল সোমবার পর্যন্ত আরও ১১৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় মোট ১৫৮ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৩ জনকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে, আশঙ্কার কোনো কারণ নেই বলে অভয় দিয়েছে পাবনা স্বাস্থ্য বিভাগ। একই এলাকার এত বেশি সংখ্যক মানুষ পেটব্যথা, পাতলা পায়খানা এবং বমি রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে ঢাকা থেকে আগত রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পাঁচ সদস্যের দল গতকাল সোমবার থেকে পাবনার বলরামপুর গ্রামে কাজ শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞ দল রোগীদের রক্ত এবং মলমূত্রের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত এ রোগকে ডায়রিয়া বলতে রাজি নন।

গত শুক্রবার পাবনা সদর উপজেলার  বলরামপুর গ্রামে মৃত্যুবার্ষিকীর মিলাদ মহফিলের খিচুড়ি খেয়ে ৪০ জন অসুস্থ হয়ে পড়ে। এদের মধ্যে পাবনার শহীদ আহমেদ রাফিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমিয়া আক্তার সুখী (১৩) হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায়। পাবনা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমকালকে বলেন, বলরামপুর গ্রামে একটি বিশেষ মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রাজশাহীর পরিচালক ডা. গোপেন্দ্র নাথ আচার্য গতকাল সোমবার বিকেলে আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে সমকালকে বলেন, গ্রামবাসীর মধ্যে এটি 'ফিলোজেনসিক' বা মনস্তাত্ত্বিক' ডায়রিয়া হিসেবে কাজ করছে।

পাবনার সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল জানান, আক্রান্ত এলাকা জীবাণুমুক্ত করতে ব্লিচিং পাউডার ছিটানো হয়েছে। পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ রয়েছে।