সংসদে খাদ্যমন্ত্রী

চালে হলেও ধান কেনায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০১৯

সমকাল প্রতিবেদক

চলতি বোরো মৌসুমে ধান কেনায় লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে সরকার। অন্যদিকে চাল কেনার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। চার লাখ টন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১ জুলাই পর্যন্ত কেনা হয়েছে ৮৪ হাজার ৩০৯ টন ধান। আর ১০ লাখ টন সেদ্ধ ও দেড় লাখ টন চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে কেনা হয়েছে ১৪ লাখ ৬৬ হাজার ৪৮৬ টন। গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের এবাদুল করিমের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এ তথ্য জানান। এ সময় ধান কেনার ক্ষেত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা চান মন্ত্রী। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ধান, চাল ও গম কেনার সাড়ে ১৩ লাখ টন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে মোট কেনা হয়েছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার ৯৭০ টন। গম কেনার লক্ষ্যমাত্রায় পিছিয়ে রয়েছে সরকার। দেড় লাখ টন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে গম কেনা হয়েছে ৪০ হাজার ১৭৫ টন।

বগুড়া-৭ আসনের রেজাউল করিম বাবলুর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সাধন চন্দ্র বলেন, আগেও ধান-চাল কেনা হয়েছে; কিন্তু এবারের মতো সুষ্ঠুভাবে কখনও হয়নি। এবার ইউএনও, ডিসি, এসপিরা কৃষকের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ধান কিনেছেন। কোনো সিন্ডিকেট বা দলীয় প্রভাব স্থান পায়নি। সরকারি দলের পনির উদ্দীনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ধান ক্রয়ে মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তারা কাজ করছেন। অনেকে বলেন, সরকারি গুদামে ধান দিতে যাতায়াত খরচ বেশি পড়ে। এখন প্রায় সব রাস্তা পাকা।