লন্ডনে মিলনমেলা ঢাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০১৯

লন্ডন প্রতিনিধি

লন্ডনে মিলনমেলা ঢাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি এ. কে. আজাদ রোববার লন্ডনে ডুয়াকের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন -সমকাল

পূর্ব লন্ডনের রয়্যাল রিজেন্সি হলে রোববার অনুষ্ঠিত হয়ে গেল যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সর্ববৃহৎ মিলনমেলা। ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইউকের (ডুয়াক) উদ্যোগে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে ছয় শতাধিক নিবন্ধনকৃত প্রাক্তন শিক্ষার্থী অংশ নেন।

সংগঠনের সভাপতি রহমান জিলানীর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ. কে. আজাদ। তিনি ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে ডুয়াকের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ইলফোর্ড নর্থের এমপি ওয়েস স্ট্রেটিং ও যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ জুলকার নায়েন। আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক এনামুল হকের বক্তব্যের পর সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটিকে পরিচয় করিয়ে দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার খান। এ সময় তিনি ডুয়াককে ঢাকার কেন্দ্রীয় কমিটির একমাত্র সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতিদানের বিষয়টি সবাইকে অবহিত করেন।

সাংবাদিক বুলবুল হাসান ও কাউন্সিলর সৈয়দা সায়মা আহমেদের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি কার্যত পরিণত হয়েছিল এক মহামিলনমেলায়। অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বন্ধুত্ব ও সম্পর্ককে উপজীব্য করে। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত ঢাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের স্ত্রী-স্বামী-সন্তান নিয়ে দূরদূরান্ত থেকে এসে মিলিত হয়েছিলেন পূর্ব লন্ডনের রয়্যাল রিজেন্সি মিলনায়তনে। 'পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়, ও সে চোখের দেখা

প্রাণের কথা সে কি ভোলা যায়'- সমবেত কণ্ঠে এ রবীন্দ্রসঙ্গীতটি দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সংগঠনের শিল্পী-সদস্যরা। এ ছাড়া জনপ্রিয় কয়েকটি গান পরিবেশন করেন নাট্যাভিনেতা ও শিল্পী ফজলুর রহমান বাবু। আশি ও নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় বেশ কিছু গান দিয়ে দর্শককে আনন্দে ভাসান সঙ্গীতশিল্পী তপন চৌধুরী ও সামিনা চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্যদের সন্তানদের মধ্য থেকে ১০ জন কৃতী ছাত্রছাত্রীকে জিসিএসই এবং এ-লেভেল পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয়। তাদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদ তুলে দেন কবি ও কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক।