বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

প্রশাসনিক ভবনে তালা কর্মচারীদের

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০১৯      

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা

আপগ্রেডেশন, প্রমোশন ও নীতিমালা প্রণয়নসহ তিন দফা দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সমন্বিত কর্মচারী পরিষদ। চলমান এ আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তারা ভর্তি ও ফরম পূরণের চলতি কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন না। এ ছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের ফল আটকে আছে। কর্মচারীদের আন্দোলনে অচল হয়ে পড়েছে একাডেমিক ও প্রশাসনিক সব কার্যক্রম। এতে আবারও ভয়াবহ সেশন জটে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা।

সোমবার সকাল ৯টায় আন্দোলনের ১৩তম দিনে আবারও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে সর্বাত্মক কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা। আগের দিনও তারা রেজিস্ট্রার দপ্তরে তালা দেয়। তবে পুলিশের সহযোগিতায় ওই দিন বিকেল ৫টায় সেই তালা ভেঙে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি গত ২৭ জুন এবং হলেও একই বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি ৩০ জুন ভর্তি তারা এখনও ফরম পূরণ করতে পারেনি।

আজ সোমবার গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে গেলে  তাদের প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করতে দেননি আন্দোলনরত কর্মচারীরা। রসায়ন বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফরম পূরণও থেমে আছে একই কারণে।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয়প্রধান অধ্যাপক আবু কালাম মো. ফরিদ উল ইসলাম বলেন, আমাদের বিভাগের দুই সেশনের ভর্তি কার্যক্রম থমকে আছে।

এ বিষয়ে কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি নূর আলম জানান, আন্দোলন শুরুর পর থেকে রেজিস্ট্রার বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দপ্তরে আসছেন না। তাদের অবহেলা আর আমাদের বঞ্চিত করার কারণে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আজ মঙ্গলবার সকালেও প্রশাসনিকভবনে তালা দেবেন বলে জানান তারা।