খুন ধর্ষণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঢাবিতে মিছিল ধর্ষকদের প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ড দাবি

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০১৯

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে রাষ্ট্রকে খুন, ধর্ষণ ও দুর্নীতির মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে 'বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ'। দেশে চলমান খুন, ধর্ষণ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে গতকাল বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে প্রতিবাদী মিছিল ও সমাবেশ থেকে এ আহ্বান জানানো হয়। এতে সংগঠনটির দুই শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মিছিলটি অপরাজেয় বাংলার সামনে থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, হাইকোর্টের মোড়, দোয়েল চত্বর, শহীদ মিনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে পুনরায় অপরাজেয় বাংলার সামনে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসানের সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর, সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান।

সমাবেশে ভিপি নুর বলেন, আজকে নয় মাসের শিশু থেকে শুরু করে ৯০ বছরের বৃদ্ধাও খুন-ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এ দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতির জন্য এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এ জন্য শুধু অপরাধী ব্যক্তি নয়, রাষ্ট্র ব্যবস্থাও দায়ী। রাজনীতির প্রভাবে অপরাধ করেও অপরাধীরা পার পেয়ে যায়।

আখতার হোসেন বলেন, এ দেশে ধর্ষণ, হত্যা কোনো কিছুরই বিচার হচ্ছে না। ধর্ষক যেই হোক না কেন, তার কঠিন বিচার করতে হবে। ধর্ষণের বিচার না হলে ছাত্রসমাজ চুপ থাকবে না।

সমাপনী বক্তব্যে হাসান আল মামুন বলেন, বর্তমানে বিচার বিভাগের ওপর মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলছে। এ দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের অপরাধের প্রতিবাদ না করলে তা মহামারী আকার ধারণ করবে। তাই এ ধরনের অপরাধ রুখতে সবাইকে যার যার স্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।

ধর্ষকদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দাবি :ধর্ষকদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার দাবিতে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন মানববন্ধন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। গতকাল সকাল ১১টার দিকে রাজু ভাস্কর্যের সামনে 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রীবৃন্দ'-এর ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে বিচার করে ধর্ষককে ফাঁসির দড়িতে ঝুলানোরও দাবি জানানো হয়।