লাকসামে সহকারীকে ধর্ষণ ভুয়া চিকিৎসক গ্রেফতার

আরও দুই শিশু ও প্রতিবন্ধী কিশোরী শিকার

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০১৯

সমকাল ডেস্ক

কুমিল্লার লাকসামে সহকারী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মীর হোসেন নামে এক ভুয়া চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা সদর ও নড়াইলের কালিয়ায় দুই শিশু এবং বগুড়ার শেরপুরে বিয়ের প্রলোভনে

এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

পাওয়া গেছে। তবে এসব ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

লাকসাম :সহকারীকে ধর্ষণের অভিযোগে কুমিল্লার লাকসাম শহরের জংশন এলাকার ডিজিটাল হেলথ কেয়ার ক্লিনিকের মালিক ও ভুয়া চিকিৎসক মীর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মীর হোসেন লাকসাম শহরের বাইনচাটিয়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ওই ক্লিনিকে হেলথ সহকারীর চাকরি করার সময় চাকরিচ্যুতি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে মীর হোসেন। চার মাসে তাকে অন্তত ৩০ বার ধর্ষণ করা হয়। প্রত্যেকবার ধর্ষণের পর তাকে অজ্ঞাত একটি ইনজেকশনও দিত সে। বিষয়টি নিয়ে গত সোমবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১

কার্যালয়ে অভিযোগ করেন তিনি। বুধবার ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক ওষুধ ও নেশা জাতীয় দ্রব্যসহ মীর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-১১ কোম্পানি কমান্ডার প্রণব কুমার

জানান, মীর হোসেন কোনো চিকিৎসক নয়। চিকিৎসকের পরিচয় দিয়ে ক্লিনিক খুলেছে সে। সেখানে চাকরি দেওয়ার নামে আরও অনেক নারীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।

চুয়াডাঙ্গা : চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি তদন্ত লুৎফুল কবির জানান, উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের হাতিকাটা গ্রামের আবাসন এলাকায় এক শিশু (১০) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে আবাসনের বাসিন্দা বাপ্পি শেখ ভয় দেখিয়ে মেয়েটিকে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। আবাসনের অন্য বাসিন্দারা বিষয়টি টের পেয়ে মেয়েটির পরিবারকে জানায়। এ ঘটনায় মামলা করেছেন মেয়েটির বাবা।

কালিয়া :নড়াইলের কালিয়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১১) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সকাল ১১টার দিকে ছবেদ মোল্লা নামে পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তি মেয়েটিকে ফুসলিয়ে বিদ্যালয়ের পাশে নিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে। ছবেদ উপজেলার নয়া মাউলী গ্রামের মৃত ছাত্তার মোল্লার ছেলে। স্থানীয়রা মেয়েটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

শেরপুর :বগুড়ার শেরপুরে এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে সোহেল রানা নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোহেল বগুড়ার ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের রাঙামাটি (ফকিরবাড়ী) গ্রামের জাহেদ আলীর ছেলে। মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে সোহেল। পরে তাকে গাজীপুরের চান্দুরা এলাকায় নিয়ে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে কিছুদিন বসবাসও করে। পরে পারিবারিকভাবে গত ৮ জুলাই তাদের বিয়ের দিন ধার্য করা হয়; কিন্তু বিয়ের বাজার করার কথা বলে সোহেল পালিয়ে যায়। এ নিয়ে গত মঙ্গলবার রাতে মেয়েটি বাদী হয়ে থানায় মামলা করে।