ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড চান ঢাবি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০১৯      

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির শেষ দিনে তারা এ স্মারকলিপি দেন। এর আগে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে মানববন্ধন করে শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিক সমাজ।

বিভিন্ন হল ও অনুষদের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী কর্মসূচিতে অংশ নেন। এতে ছাত্রলীগের ঢাবি শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহসান আহমেদ রাসেল, শামসুন্নাহার হল ছাত্রলীগের সভাপতি জেসমিন শান্তা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন শেষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি নিয়ে গণভবনে

যান তারা।

মানববন্ধনে সনজিত বলেন, আমরা চাই ধর্ষকের শাস্তি হোক মৃত্যুদণ্ড। শুধু মৃত্যুদণ্ড নয়, চাই প্রকাশ্যে সেই মৃত্যুদণ্ড যেন কার্যকর করা হয়; যাতে অন্যরা সতর্ক হয়। ধর্ষণের মামলাগুলো দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে ৩০ দিনের মধ্যে যেন নিষ্পত্তি করা হয়। এ ব্যাপারে দেশের আইনপ্রণেতারা যেন সংসদে কথা বলেন, এই আহ্বান জানাচ্ছি।

এর আগে সকালে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এক মাসের মধ্যে ধর্ষকের প্রকাশ্যে ফাঁসির দাবিতে আরেকটি মানববন্ধন

করেন শিক্ষার্থীরা। এতে ডাকসু ও হল সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে ডাকসুর কমন রুম ও ক্যাফেটেরিয়া বিষয়ক সম্পাদক বিএম লিপি আক্তার বলেন, দেশে ধর্ষণের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলছে। ধর্ষণের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যান্য অপরাধের প্রকাশ্যে বিচার হলেও ধর্ষকদের বিচার হয় না। একটা খুনের চেয়ে ধর্ষণ কোনো অংশে ছোট নয়। এজন্য প্রকাশ্যে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে।

রোকেয়া হল সংসদের এজিএস ফাল্কগ্দুনী দাস তন্বী বলেন, সবকিছু সহ্যের বাইরে চলে গেছে। প্রতিনিয়ত ধর্ষণের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটছে। এমনকি ছোট্ট শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না। তাই এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে ধর্ষককে সংশোধন নয়, বিনাশ চাই।