কল্পপ্রকৃতির ভাস্কর্য

প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০১৯

সমকাল ডেস্ক

প্রকৃতি এক জীবন্ত সত্তা, ঠিক যেন আমাদের চারপাশে ঘোরাফেরা করা কোনো মানুষ বা প্রাণী। তার ভাস্কর্য এই অনুভবেই সিক্ত। তার ভাবুক মন আর হাতের শিল্পীত ছোঁয়া প্রতিটি ভাস্কর্যে তার সেই কল্পনার প্রকৃতিকে মায়াবী রূপ দিয়ে ফুটিয়ে তোলে। দেখলেই মনে হয়- কত অচেনা, কত অদ্ভুত, কিন্তু কী জীবন্ত! স্বপ্নের ঘোর লাগা একেকটি ভাস্কর্য যেন আর স্থবির কিছু নয়। এর ভেতর যেন জীবনের স্পন্দন কাজ করছে, শ্বাসপ্রশ্বাস ফেলছে তারাও। যেন ভাস্কর্যগুলোর দেখার ও শোনার ক্ষমতা রয়েছে, গরম ও ঠাণ্ডার অনুভূতিও আছে। ফরাসি শিল্পী এমেরিক সাঁতেয়ার আশ্চর্য অনুভব সঞ্চারী এই ভাস্কর্যগুলো গড়েছেন।

প্রকৃতির নিশ্চেতন মাটি আর এর সঙ্গে অচ্ছেদ্য বন্ধনে জড়িয়ে রয়েছে ঘাস, লতাপাতা কিংবা শাখাপ্রশাখা মেলা গাছ। মাটিকে আশ্রয় করে এরা প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে। এরা সবাই মিলে তার ভাস্কর্যে

জীবন্ত রূপ নিয়েছে। ঘাস ও লতাপাতাভরা প্রকৃতি নিজেই জীবন্ত মানুষ, বা বুনো প্রাণী হয়ে উঠেছে। তা হতে হরিণ, বাঘ, সিংহ, বনবিড়াল, হনুমান কিংবা খরগোস। কল্পবাস্তবের এসব ভাস্কর্যের অদ্ভুত জগতে দেখা যায়। সবুজ ঘাসের মানুষ। তাদের শরীরে এমনকি ছোট ছোট ফুলও ফুটছে। ডালপালাও ছড়াচ্ছে। একটি ভাস্কর্যে দেখা যায়, একদল মানুষ একসঙ্গে নানা ভঙ্গিতে হাঁটছে, কিংবা ছুটছে। মনে হবে সবুজ প্রকৃতিই মানুষের বেশ ধরে খেলছে। আরেকটি ভাস্কর্যে দেখা যায়, মানুষের একটি সবুজ হাত। এর বুড়ো আঙুল বেড়ে বেড়ে একটি বড় গাছ হয়ে উঠছে।

শিল্পী জানান, এসব ভাস্কর্য গড়তে তিনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রেজিন ব্যবহার করেছেন। এর সঙ্গে সবুজ রঙ, গাছের শেকড়বাকড়, কখনও প্লাস্টিকের ফুলফলও ব্যবহার করেছেন। সূত্র :মাইমডার্নমেটডটকম।