বেশির ভাগ স্থানে বন্যার পানি নেমে গেলেও রেললাইনে রেখে গেছে ক্ষত। পানির তীব্র স্রোতে ৭টি স্থানে রেললাইনের নিচ থেকে মাটি ও পাথর সরে গেছে। লাইনের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে আছে। এসব ক্ষতস্থান মেরামত করতে সময় লেগে যাবে প্রায় ২০ দিন। এমনটাই বলছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এদিকে গতকাল সোমবার পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গাইবান্ধা থেকে বোনারপাড়া জংশন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত রেলপথ পরিদর্শন করেন। এ সময় শহিদুল ইসলাম জানান, ঈদুল আজহার আগেই যাতে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয় সে ব্যাপারে চেষ্টা করা হবে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, শান্তাহার-লালমনিরহাট রুটের বাদিয়াখালী রেল স্টেশন থেকে ত্রিমোহনী স্টেশনের দূরত্ব ৬ কিলোমিটার। এই ৬ কিলোমিটার রুটের ছোট-বড় ৭টি স্থানে রেলওয়ে লাইনের নিচ থেকে পানির স্রোতে মাটি ও পাথর সরে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল সকালে সরেজমিনে বাদিয়াখালী রেল স্টেশনের উত্তর পাশে রিফাইতপুর নারিকেলতলা নামক স্থানে গিয়ে দেখা যায়, সীমিত রেলওয়ে শ্রমিকরা লাইনের ওপর থেকে গাছ অপসারণের কাজ করছে। দা, কুড়াল ও করাত দিয়ে পড়ে থাকা গাছগুলো কেটে অন্যত্র সড়িয়ে রাখছে। শ্রমিকরা জানান, পুরোপুরি রেললাইন সচল করতে ১৫-২০ দিন সময় লাগবে।

ঘটনাস্থলে থাকা বাদিয়াখালী-ত্রিমোহনী রেল সেকশনের ওয়েবম্যান বেলাল হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত হলেও ট্রেনের গতিসীমা কমে আসবে। ঘণ্টায় ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার বেগে হয়তো চলাচল করবে ট্রেন।



মন্তব্য করুন