ছেলেধরা গুজব রাজনৈতিক অপকৌশল তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

দেশের 'ছেলেধরা' গুজবকে একটি রাজনৈতিকগোষ্ঠীর অপকৌশল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিকভাবে পরাজিত কুচক্রী মহল পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে চাইছে। তারাই শিশু অপহরণের

গুজব ছড়িয়ে নিরীহ মানুষের ওপর গণপিটুনির ঘটনা ঘটিয়েছে। আর গুজব রটানোর অপরাধে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৭০ শতাংশের বেশি বিএনপি-জামায়াতের লোকজন।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ-ভাসানী) ৬২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করছে, তখন একটি মহল হতাশ। তারা রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ ও জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে নানা ধরনের হীন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ও নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। সেই অপকৌশলের অংশ হিসেবেই রটিয়ে দেওয়া হয়েছে, সরকারের অনুমোদন নিয়ে নাকি পদ্মা সেতুতে শিশু বলি দিতে হবে! তাও

একটি-দুটি নয়, এক লাখ শিশু বলি দিতে হবে।

হাছান মাহমুদ বলেন, এই গুজবের সূত্র ধরেই দেশে ছেলেধরা গুজব তৈরি করা হলো। তার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু আতঙ্কিত মানুষ এবং কিছু

দুস্কৃতকারী নিরীহ মানুষের ওপর হামলা পরিচালনা করেছে। একজন নিরীহ মাসহ বেশ কয়েকজনকে হত্যা করা হয়েছে। এগুলো সবই হত্যাকাণ্ড। যারা এগুলো করেছে, তারা হত্যা মামলার আসামি। তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে আছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে। সচেতন মানুষের এ কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।

বন্যাকবলিতদের সাহায্যে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগও বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। দলের নেতাকর্মীরা বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছেন। কিন্তু বিএনপি ও গণফোরামের ত্রাণ কার্যক্রম প্রেস ক্লাব ও নয়াপল্টন এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

ন্যাপ-ভাসানীর চেয়ারম্যান মোশতাক আহমেদ ভাসানীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন নাজমুল হক প্রধান, শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।