বিড়ালের জন্য শৈল্পিক ঘর

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০১৯      

সমকাল ডেস্ক

বিড়াল- নরম ও তুলতুলে। এই প্রাণীটি অনেকেই বাড়িতে পুষতে পছন্দ করেন। একে সামান্য খাবার আর আদর দিলেই খুশি। ডাকলেই ছুটে আসে। চারপাশে ঘুরঘুর করে। এর মিউ মিউ ডাক ছোটবড় সবারই ভালো লাগে। পশ্চিমা বিশ্বেও বিড়াল অনেক প্রিয়। অনেকেই নিজের বাসায় একাধিক বিড়াল পোষে। এ প্রাণীটি লাফালাফি করতে পছন্দ করে এবং বিশ্রাম ও ঘুমের জন্য একটু আড়াল চায়। বিড়ালের এ স্বভাবের দিকে খেয়াল রেখে এর জন্য বেশকিছু বিলাসবহুল ঘর বানিয়েছেন স্থপতিরা। স্থপতিদের সৃজনশীলতায় এগুলো যেন একেকটা শিল্পকর্মে রূপ

নিয়েছে।

আব্রামসন তেইগার আর্কিটেক্টস নামে একটি স্থাপত্য প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা বিড়ালের লাফালাফি ও উঁচু কিছুতে চড়ার স্বভাবের দিক মাথায় রেখে তৈরি করেছেন 'হোয়াটজ্যাক'। তিনটি সাদা টিউবকে একটি আড়াআড়ি জোড়া দিয়ে এটি বানানো হয়েছে। হোয়াটজ্যাকের গায়ে বিড়াল যেমন লাফিয়ে উঠতে পারবে, তেমনি কোনো একটি টিউবের ভেতরে ঘুমিয়েও পড়তে পারবে। এই প্রতিষ্ঠানটি বড়সড় একটা বলের মতো আরেকটি ঘর তৈরি করেছে। দেখতে অপূর্ব এই বলটির একপাশে একটা গোল ছিদ্র রয়েছে। বিড়াল এর মধ্য দিয়ে লাফিয়ে ভেতরে ঢুকতে পারবে। রশি ও তার পেঁচিয়ে এটা তৈরি করা হয়েছে। যে কেউ ঘরটা দেখলেই মুগ্ধ হয়ে বলবে- কী সুন্দর! ক্যালিসনআরটিকেএল নামে আরেকটি স্থাপত্য প্রতিষ্ঠানও বিড়ালদের উঁচু জায়গা পছন্দের বিষয়টা নজরে রেখেছে। তারা বানিয়েছে ক্যাটক্যাথেড্রাল। পিরামিড আকৃতির এ ঘরটিতে থাকার জায়গাটি ভূমি সমতলে নয়, কিছুটা ওপরে। এইচকেএস আর্কিটেকচার নামের প্রতিষ্ঠানটি বানিয়েছে বিড়ালের প্রিয় খাদ্যের দিকটা খেয়ালে রেখে। প্রতিষ্ঠানটি ঘরটির নাম দিয়েছে 'আমরা কি একসঙ্গে থাকতে পারি না'। মাথা কেটে ফেলার পর একটা মাছের দেহ দেখতে যেমন, ঠিক তেমনি এর আকৃতি। আর এর পিঠ থেকে গজিয়েছে লম্বা কয়েকটি খুঁটি। খুঁটিগুলোর মাথায় পাখির বাসা। দেখতে চমৎকার। সূত্র : ইন্টারেস্টিং ইঞ্জিনিয়ারিংডটকম।