অনলাইনে শিশু সুরক্ষা ইউনিসেফ গ্রামীণফোন ও টেলিনরের চুক্তি

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০১৯

সমকাল প্রতিবেদক

তথ্য, শিক্ষা, ক্ষমতায়ন এবং অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে শিশুদের বিকাশে সহায়তা করতে পারে ইন্টারনেট। তবে অনুপযুক্ত উপকরণ ও আচরণের মাধ্যমে ইন্টারনেট শিশুদের সহিংসতা, নিগ্রহ ও অপব্যবহারের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতেও ফেলতে পারে। তাই ২০২১ সালের মধ্যে দেশজুড়ে ১২ লাখ শিশু-কিশোরের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে অনলাইনে শিশুর সুরক্ষা প্রকল্প জোরদারে গ্রামীণফোন, টেলিনর গ্রুপ ও ইউনিসেফ যৌথভাবে অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়। 'বাংলাদেশে শিশুর অনলাইন সুরক্ষার মাত্রা বাড়ানো ও জোরদার করা' শীর্ষক এ প্রকল্পটি শিশু-কিশোরকে অনলাইনে নিরাপদ থাকার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে। বাবা-মায়েদের সংবেদনশীল করে তোলাও এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।

প্রকল্প প্রসঙ্গে ইউনিসেফের ডেপুটি রিপ্রেজেনটেটিভ ডারা জনস্টন বলেন, এই অংশীদারিত্ব শিশুর অনলাইন সুরক্ষা সম্পর্কে বাস্তবসম্মত পরামর্শগুলোর প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করবে

এবং এগুলো বাংলাদেশে শিশুদের জন্য শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবে। তিনি জানান, একটি সমন্বিত যোগাযোগ প্রচারাভিযানের মাধ্যমে প্রকল্পটি ২ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাবে এবং সহায়ক পদক্ষেপ গ্রহণে অন্তত ৫০ হাজার মানুষকে এতে সম্পৃক্ত করবে।

গ্রামীণফোন লিমিটেডের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার ওলে বিয়র্ন বলেন, সব বয়সী মানুষের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে অনলাইনে নিরাপত্তার বিষয়টি কীভাবে আমাদের সমাজকে ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রভাবিত করে, তা বিশ্বময় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অংশীদারিত্ব চুক্তির আওতায় থাকা স্কুলগুলোতে একটি ফোরাম বা 'সেফ ক্লাব' তৈরিতে সহায়তা করা হবে।

টেলিনর গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট (সাসটেইন্যাবিলিটি) মনীষা ডগরা বলেন, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১০ নম্বর লক্ষ্য অর্থাৎ বৈষম্য কমানোর অংশ হিসেবে ২০২০ সালের মধ্যে বিভিন্ন দেশে অন্তত ৪০ লাখ শিশুকে অনলাইনে নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষিত করে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।