বুড়িগঙ্গা তীর থেকে আরও ৮৮ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০১৯

সমকাল প্রতিবেদক

ঢাকার পার্শ্ববর্তী নদীতীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে চতুর্থ পর্বের উচ্ছেদ/অপসারণ অভিযানের প্রথম পর্যায় শেষ হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের অভিযানের শেষ দিনে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার কামরাঙ্গীরচর হুজুরপাড়া থেকে তেলঘাট পর্যন্ত এলাকায় বুড়িগঙ্গা তীরের আরও ৮৮টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

এদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কামরাঙ্গীরচর হুজুরপাড়া থেকে বাবুবাজার ব্রিজ পর্যন্ত বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর প্রান্ত এবং বাবুবাজার ব্রিজ থেকে তেলঘাট পর্যন্ত নদীর দক্ষিণ প্রান্তে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এটি ছিল চলমান উচ্ছেদ অভিযানের ৩৯তম দিন। এদিন বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানকালে ১৭টি পাকা ভবন, ২৪টি আধাপাকা ভবন, ১৬টি সীমানাপ্রাচীর এবং ৩১টি টিনের ঘরসহ মোট ৮৮টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ করা পাকা ভবনের মধ্যে ছিল একটি তিনতলা, তিনটি দোতলা ও ১৩টি একতলা ভবন। এ সময় দেড় একর তীরভূমি অবমুক্ত করা হয়।

এ অভিযানের তত্ত্বাবধানে থাকা বিআইডব্লিউটিএর ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন এবং সংস্থার ঊর্ধ্বতন কমকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চতুর্থ পর্বের এ উচ্ছেদ অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম আগামী ৯ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত চলবে। ওই সময়ে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজধানীর বাদামতলী থেকে ফতুল্লা অভিমুখে বুড়িগঙ্গা নদীর উভয় তীরে উচ্ছেদ অভিযান চলবে।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, গত ২৯ জানুয়ারি শুরু হয়ে গতকাল পর্যন্ত মোট ৩৯ দিনের উচ্ছেদ অভিযানে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদের উভয় তীরের মোট চার হাজার ১২টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ৯৬ একর তীরভূমি অবমুক্ত করা হলো। এছাড়া উচ্ছেদ করা স্থাপনা নিলামে ৫ কোটি ২ লাখ ২৬ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের দায়ে একজনকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান এবং অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে থেকে পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার টাকা জরিমানাও আদায় করা হয়।