সিলেটে ডেঙ্গু উপেক্ষা করে পর্যটকের ভিড়

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০১৯      

সিলেট ব্যুরো

ডেঙ্গু আতঙ্কের কারণে এবার ঈদে কম লোকসমাগম হবে বলে আশঙ্কা করছিলেন সিলেটের পর্যটন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু ঈদের পরই সব আশঙ্কা কেটে গেছে। ডেঙ্গু আতঙ্ক উপেক্ষা করে

জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভিড় বাড়ছে পর্যটকের। তবে খাবার হোটেলের অপ্রতুলতায় বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে তাদের।

সারিবদ্ধ চা-বাগান, উঁচু-নিচু পাহাড়-টিলা, ঝরনা আর সবুজের প্রাচুর্যে ভরা সিলেট। ঈদের ছুটিতে তাই অনেকে পরিবার নিয়ে ছুটে এসেছেন দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ খ্যাত সিলেটে।

প্রকৃতিকন্যা জাফলং ও পাথরের বিছানাখ্যাত বিছনাকান্দিতে পাথরের মাঝ দিয়ে ছলাৎ ছলাৎ পানির আওয়াজ। লালাখালের স্বচ্ছ জল আর রাতারগুলের সোয়াম ফরেস্টের মন ভোলানো দৃশ্য দেখতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা। তাদের থাকার জন্য আবাসন ব্যবস্থা ও আতিথেয়তার জন্য হোটেল-মোটেল মালিকরা ঈদের আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।

খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে জাফলং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের

এক অপরূপ লীলাভূমি। সীমান্তের ওপারে ভারতীয় পাহাড়-টিলা, ডাউকি পাহাড় থেকে অবিরাম ধারায় প্রবহমান জলপ্রপাত, ঝুলন্ত ডাউকি ব্রিজ, পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ হিমেল পানি, উঁচু পাহাড়ের গহিন অরণ্য ও সুনসান নীরবতার কারণে এলাকাটি পর্যটকদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করে। প্রতিদিনই দেশি-বিদেশি পর্যটকরা সেখানে ছুটে আসেন।

জাফলং ছাড়াও বিছনাকান্দি, রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট, জৈন্তাপুরের লালাখাল, জাফলং ফাটাছড়া মায়াবী ঝর্ণা, পাংতুমাই মায়াবতী ঝর্ণাধারায়ও পর্যটক-দর্শনার্থীর ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এ ছাড়া জৈন্তিয়া রাজবাড়ি, কানাইঘাটের লোভাছড়া, কাঁঠালবাড়িও মন কেড়েছে পর্যটকদের।

সিলেটের পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন জানান, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা সিলেট এসেছেন। তাদের নিরাপত্তায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ কারণে অপরাধ কমেছে পর্যটন এলকাগুলোতে।