বাজিতপুরে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত ২ নারী-পুরুষসহ গুলিবিদ্ধ ১৭

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০১৯      

কিশোরগঞ্জ অফিস ও বাজিতপুর প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার হাওরবেষ্টিত মাইজচরের শ্যামপুর গ্রামে গতকাল বুধবার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রতিপক্ষের গুলিতে দু'জন নিহত এবং আরও ১৭ জন আহত হয়েছে। নিহত শরিফ মিয়া (৩৫) শ্যামপুর গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে এবং ফোরকান (২৮) লাহুত আলীর ছেলে। আহতদের মধ্যে শাহ জামাল নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শ্যামপুর গ্রামের ইউপি সদস্য মো. বাক্কার মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের ফারুক মিয়ার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। বুধবার সকালে ইউপি সদস্য বাক্কার মিয়ার ছোট ভাই চাল ব্যবসায়ী মওলাকে একা পেয়ে ফারুক মিয়ার লোকজন মারধর করে। এ ঘটনার পর মওলার আত্মীয়-স্বজন দেশি অস্ত্র নিয়ে এগিয়ে গেলে ফারুক বাহিনী পাল্টা গুলি চালায়। এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন বাক্কার মিয়ার আপন ভাই শরিফ ও চাচাতো ভাই ফোরকান। এ ঘটনায় নারী-পুরুষসহ গুলিবিদ্ধ আরও ১৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হচ্ছে নুর আলম, তৌহিদ মিয়া, আফিয়া খাতুন, শাহ জামাল, শাফায়াত উল্লাহ, আজিজুর রহমান, মো. জালাল মিয়া, স্বপন মিয়া, সালমা বেগম, নীলা, শাফায়াত, স্বপন, কামাল মিয়া, রহিমা বেগম ও মুর্শিদ মিয়া।

মাইজচর ইউপি চেয়ারম্যান মো. তৈয়্যবুর রহমান জানান, একতরফা হামলায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের নেতা ফারুকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। বাজিতপুর থানার ওসি মো. খলিলুর রহমান পাটোয়ারী জানান, জোড়াখুনের ঘটনায়

এখনও থানায় এজাহার দায়ের করা হয়নি। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দু'জনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ আফজাল হোসেন জানান, ঘটনাটি শুনেছি। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে বলা হয়েছে।