চট্টগ্রামে উচ্ছেদ মহেশখালের ৮১ অবৈধ স্থাপনা

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০১৯      

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম নগরের পানি নিস্কাশনের অন্যতম মাধ্যম মহেশখাল থেকে ৮১টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। গতকাল রোববার নগরের হালিশহর বড়পুল থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) স্পেশাল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল আলম চৌধুরী। অভিযানে সহায়তা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এর আগে নগরের চাক্তাইখাল, রাজাখালী খাল ও নোয়াখাল থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। 'চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ অভিযান চালানো হচ্ছে। চউকের পাঁচ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী আহমদ মঈনুদ্দিন সমকালকে জানান, উচ্ছেদ করা অবৈধ স্থাপনাগুলোর মধ্যে  রয়েছে ১৪টি পাকা, ১৮টি সেমিপাকা, টিনশেড ৩২টি, কাঁচা ঘর ১১টি এবং ছয়টি বাউন্ডারি ওয়াল।

'চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৩৬টি খাল খনন ও সংস্কার করা হবে। তিন পর্যায়ে খালগুলো খনন ও সংস্কার করা হচ্ছে। প্রথম দফায় গুরুত্ব অনুযায়ী ১৩টি খাল থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১০টি এবং শেষ পর্যায়ে বাকি খালগুলো থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।