পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় এক সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার বিকেলে উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের ঠাকুরের হাট বাজারে ওই পরিবারের একটি দোকানে হামলা ও ভাংচুরের এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বাধা দিতে গেলে দুর্বৃত্তদের মারধরে আহত হয়েছেন নারী-শিশুসহ ১০ জন। দোকান ঘরটি দখল নিতে স্থানীয় সন্ত্রাসী ইরাক ও জহিরের নেতৃত্বে এ হামলা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঠাকুরের হাট বাজারের ব্যবসায়ী খিতিশ মজুমদারের দোকানে ইরাক ও জহিরের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক ভাড়াটে লোকজন হামলা করে। তারা দোকানে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। এ সময় বাধা দিলে হামলাকারীদের মারধরে আহত হন খিতিশ মজুমদার (৬০), শেফালী রানী (৮০), জতিন মাঝি (৭০), লক্ষ্মী রানী (৬০), শোভা রানী (৫৫), জয়চান (৩৫), খোকন (৩০), অঞ্জু রানী (২৫), লক্ষ্মী রানী (২২), কনিকা রানী (৩০) ও কথা রানী (৪) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত খোকন মাঝি, অঞ্জু রানী ও অন্তঃসত্ত্বা লক্ষ্মী রানীকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দশমিনা থানার ওসি এসএম জালাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। সংখ্যালঘূদের নিরাপত্তায় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইরাক ও জহিরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য করুন