রূপা ধর্ষণ ও হত্যার দুই বছর

মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে অঝোরে কাঁদলেন মা

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০১৯      

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

চলন্ত বাসে রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়েছে তার পরিবার। রূপা হত্যার দুই বছর পূর্ণ হয়েছে গতকাল রোববার। এদিন দুপুরে পরিবারের সদস্যরা তাড়াশ প্রেস ক্লাব চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দিতে গিয়ে অঝোরে কাঁদেন রূপার মা ও পরিবারের সদস্যরা।

মেয়ে হত্যার বিচার দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়ে রূপার মা হাসনাহেনা বলেন, গত দুই বছরেও মেয়ে হত্যার বিচার না পেয়ে তিনি হতাশ। তিনি বলেন, তাদের একমাত্র কর্মক্ষম মেয়ে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে চলে যাওয়ায় পরিবারকে অশেষ কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে। দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে দ্রুত চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ সময় আরও বক্তব্য দেন রূপার ভাই হাফিজুর রহমান, ছোট ভাই উজ্জ্বল প্রামাণিক ও ভাবি টুম্পা খাতুন।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা শেষে বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে চলন্ত বাসে রূপাকে গণধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে বাসের চালক-হেলপারসহ অন্য সহযোগীরা। এ মামলায় ২০১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া আসামিদের মধ্যে ময়মনসিংহের ছোঁয়া পরিবহনের চালক হাবিবুর, হেলপার শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীরকে মৃত্যুদণ্ড এবং সুপারভাইজার সফর আলীকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সঙ্গে এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন।