ভূমি নিবন্ধনে দুর্নীতির দায় মন্ত্রণালয়ের নয় ভূমিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

ভূমি নিবন্ধনে দুর্নীতির ক্ষেত্রে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন নিবন্ধন অধিদপ্তরের দায় ভূমি মন্ত্রণালয় গ্রহণ করবে না। নিবন্ধন অধিদপ্তরের সাব-রেজিস্ট্রাররা আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তারাই ভূমি নিবন্ধনের কাজ করে থাকেন।

গত ৯ সেপ্টেম্বর ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) 'ভূমি দলিল নিবন্ধন সেবায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশের পর বুধবার এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ।

মন্ত্রী আরও বলেন, নিবন্ধন অধিদপ্তরকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করার জন্য এরই মধ্যে তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন। তার প্রস্তাব এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি।

টিআইবির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমি নিবন্ধন সেবায় অনিয়ম-দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক



রূপ নিয়েছে। এ দুর্নীতির দায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের বলে নানা জল্পনা-কল্পনা হচ্ছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ভূমিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, জনস্বার্থে নিবন্ধন অধিদপ্তরকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আসতে হবে। অন্যথায় তাদের ভূমি নিবন্ধনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভূমি মন্ত্রণালয়ের মতামত অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

ভূমিমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ :সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার আগে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার ভূমিমন্ত্রীর সঙ্গে সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। মন্ত্রী দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও এর ডিজিটাইজেশনের বিভিন্ন পরিকল্পনার ব্যাপারে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

ভূমিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে বলেন, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি কাজে সূক্ষ্ণ তদারক হচ্ছে। এ করণে এই মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির মাত্রা আগের তুলনায় কমেছে। এখন মাঠ পর্যায়ে দুর্নীতি কমানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ভূমি ব্যবস্থাপনা পুরোপুরিভাবে ডিজিটাইজড করা সম্ভব হলে দুর্নীতির মাত্রা আরও কমানো যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত দেশের ভূমি খাত উন্নয়নে প্রয়োজনে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন। তিনি বাংলাদেশ বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের গ্রাউন্ড জিরো উল্লেখ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি ছাত্রদের 'সুপারস্টার' উল্লেখ করে বলেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সফলতার গল্পের চিরায়ত উদাহরণ। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদেরও প্রশংসা করেন তিনি।