দুই হাজার বছর আগের মুখোশ

প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০      

সমকাল ডেস্ক

পৃথিবীর এক আশ্চর্য দেশ মেক্সিকো। বলা হয়, দেশটি অবিশ্বাস্য সব পুরাতত্ত্বে ভরা। দেশটিতে এ পর্যন্ত যেসব পুরাতত্ত্বের সন্ধান পাওয়া গেছে, তা ইতিহাস ও পুরাতত্ত্ববিদদের চিন্তার খোরাক যুগিয়েছে। বাড়িয়েছে অনুসন্ধানের আগ্রহ ও রহস্য। সম্প্রতি আবিস্কার হয়েছে দুই হাজার বছর আগের একটি সবুজ মুখোশ। এ নিদর্শন দেশটির

কলম্বিয়ান যুগের আগের ইতিহাসের ব্যাপারে তথ্য দিচ্ছে বলে পুরাতত্ত্ববিদরা বলছেন।

রাজধানী মেক্সিকো সিটি থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ঐতিহাসিক মেসোআমেরিকান শহর টিয়োটিহকানের অবস্থান। এ শহরেই রয়েছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম পিরামিড। এর নাম দেওয়া হয়েছে পিরামিড অব দ্য সান। এটি শহরটির সর্বোচ্চ ও আকর্ষণীয় স্থাপনা। তাই এই ভবন নিয়ে পুরাতত্ত্ববিদদের আগ্রহ ও প্রত্যাশাও সুউচ্চ। এ পিরামিডের কেন্দ্রবিন্দুতে পৌঁছাতে দীর্ঘ প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। খনন করা হয়েছে ৩৮০ ফুট লম্বা একটি টানেলও। ২০১১ সালেও সেখান থেকে বেশ কিছু নিদর্শন পাওয়া যায়। এবার রহস্য ও আশ্চর্যে পূর্ণ এই পিরামিডেই মিলল একটি সবুজ মুখোশ। মেক্সিকোর ন্যাশনাল

ইনস্টিটিউট অব অ্যানথ্রোপলজি অ্যান্ড হিস্ট্রির তত্ত্বাবধানেই এই অনুসন্ধান চলছে। এতে পাওয়া মুখোশটি নিয়ে ধারণা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পুরাতত্ত্ববিদরা। তারা বলছেন, নতুন এ আবিস্কারটি ১০০ শতাব্দীর কাছাকাছি সময় নির্মাণ করা হয়ে থাকতে পারে। তারা জানান, মুখোশটি মূলত একটি ধনভান্ডারের মধ্যে পাওয়া যায়। এর সঙ্গে আরও ছিল মৃৎশিল্প সামগ্রী, পশুর হাড় এবং ওবসিডিয়ান নামে এক ধরনের কঠিন শিলা।

১৯৩০ সাল থেকে এই পিরামিড নিয়ে গবেষণা চলছে। মিলছে নতুন নতুন তথ্যও। পুরাতত্ত্ববিদরা ধারণা করছেন, পিরামিডের মধ্যে এই জিনিসগুলো রাখার পেছনে অন্যতম কারণ হতে পারে- এর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন। বিশালাকার এই স্থাপনার নির্মাণ কাজ শুরুর আগে পশুর হাড়সহ নানা জিনিস সেখানে পুঁতে রাখা মৃতদেহের জন্য উৎসর্গ করা হয়ে থাকতে পারে। সূত্র : মাই মডার্ন মেট।