রোহিঙ্গা বিষয়ে জাতীয় নীতিমালা তৈরির তাগিদ

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সমকাল প্রতিবেদক

রোহিঙ্গারা যাতে নিজেদের মধ্যে মানুষ হিসেবে মর্যাদা বোধ করতে পারে, তার জন্য উপযুক্ত আবাসন, আর্থিক কর্মসূচি ও সম্পূর্ণ শিক্ষার আয়োজন করতে হবে, বিশেষ করে নারী ও যুব জনগোষ্ঠীর জন্য। তাদের জন্য এখনই একটি জাতীয় নীতিমালা তৈরি করতে হবে। তাদের তৃতীয় কোনো দেশে ধীরে ধীরে প্রত্যাবাসনের সুযোগ করে দিতে হবে। এ জন্য বিকল্প স্তরের কূটনীতির জন্য সুশীল সমাজকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত 'জেআরপি ২০২০ হতে হবে একটি সত্যিকার যৌথ উদ্যোগ :প্রয়োজন একক কর্তৃত্ব এবং স্বচ্ছতা ও স্থানীয় পর্যায়ে জবাবদিহিতা' শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সুশীল সমাজের নেতারা এসব কথা বলেন। কক্সবাজার সিএসও এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ) এবং ৫০টি স্থানীয় সংগঠনের একটি জোট এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সিসিএনএফের কো-চেয়ার রেজাউল করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন আরেক কো-চেয়ার আবু মোরশেদ চৌধুরী, কোস্ট ট্রাস্টের যুগ্ম পরিচালক বরকত উল্লাহ মারুফ, ডিজাস্টার ফোরামের নইম গওহর ওয়ারা, এনজিও ফেডারেশন বাংলাদেশের রফিকুল ইসলাম এবং শরণার্থী ও দুর্যোগ বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ আবদুল লতিফ। কোস্ট ট্রাস্টের পরিচালক মোস্তফা কামাল আকন্দ স্বাগত বক্তব্য দেন। এ সময় সুশীল সমাজের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মূল বক্তব্য উপস্থাপনকালে আবু মোরশেদ চৌধুরী কয়েকটি সংশোধনীর প্রস্তাব করে বলেন, জেআরপি একটি চলমান দলিল হতে হবে, যাতে সময়ের সঙ্গে প্রয়োজনমতো এতে সংশোধনী আনা যায়।

রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি একক কর্তৃত্ব থাকতে হবে, যা এ মুহূর্তে একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

নইম গওহর ওয়ারা বলেন, রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তা নিয়ে পরিকল্পনার সময় আমাদের মাথায় রাখতে হবে, এ কর্মসূচির ফলে যেন স্থানীয় অর্থনীতি উপকৃত হয়। যেমন- শরণার্থীদের ত্রাণের জন্য চিনি, শুঁটকি মাছ, লুঙ্গি ইত্যাদি আমদানি না করে স্থানীয় উৎপাদক বা সরকারি মিল থেকে তা সংগ্রহ করা যেতে পারে।