দুর্নীতি ও প্রতিরোধের গল্পে পুরস্কৃত তিন শিক্ষার্থী

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

সমকাল প্রতিবেদক

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যায়ন বিভাগের ইয়েস গ্রুপের 'করোনাকালে দুর্নীতি ও প্রতিরোধের গল্প' প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হয়েছেন তিন শিক্ষার্থী। প্রথম হয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জান্নাতুন নাইয়ুম সোমা, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. ফখরুল

ইসলামী ও তৃতীয় হয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবরিনা মনসুর।

গতকাল মঙ্গলবার 'দুর্নীতিবিরোধী গল্প আড্ডা' শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রতিযোগিতার ফল ঘোষণা করেন প্রধান অতিথি টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। সমকাল এ আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার। সেরা তিন গল্প প্রকাশিত হবে সমকালে।

আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে ১২ আগস্ট শুরু হয় গল্প লেখার প্রতিযোগিতা। সারাদেশের উচ্চ মাধ্যমিক থেকে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন। সেরা ১১ গল্পের লেখক নিয়ে গতকাল চলে দুর্নীতিবিরোধী আড্ডা। আড্ডায় তাদের গল্পের পেছনের গল্প তুলে ধরেন। ১১ গল্প থেকে জয়ী হয় তিনটি। প্রতিযোগিতার বিচারক ছিলেন তরুণ কথাসাহিত্যিক সাদাত হোসাইন এবং গল্পকার রাহেল রাজীব।

ওয়েব আড্ডায় প্রতিযোগী ও বিচারক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ইয়েস গ্রুপের উপদেষ্টা ইমরান হোসাইন ভুঁইয়া। টিআইবির পরিচালক শেখ মনজুর ই আলম। আড্ডা সঞ্চালনা করেন টিআইবির ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার জাফর সাদিক।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, তরুণ প্রজন্মের কাছে তার অনুরোধ দুর্নীতিবিরোধী চেতনা যেন গল্পে সীমাবদ্ধ না থাকে। তরুণ গল্পকাররা যেন নিজের কাছে অঙ্গীকার করেন নিজেকে দুর্নীতিমুক্ত রাখার।

ইমরান হোসাইন ভুঁইয়া বলেন, দুর্নীতিবিরোধী বোধ গড়ে ওঠা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নিজের পরিবারের কেউ দুর্নীতিগ্রস্ত হলে তাকে প্রশ্রয় দিয়ে, অন্যদের বিরোধিতা করার প্রবণতা সমাজে দেখা যায়। মনোজগতে পরিবর্তন আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে, অনিয়ম যেই করুক, প্রশ্ন তুলতে হবে।

সাদাত হোসাইন বলেন, সাহিত্য হলো সমাজের দর্পণ। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে হলে পারিবারিক শিক্ষা এবং মূল্যবোধের চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আদর্শের চর্চার মাধ্যমেই দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।