নন-ব্যাংকি আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ নিয়ে কেন তা পরিশোধ করা হয়নি, তা জানতে ২৮০ জন ঋণগ্রহীতাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি তাদের সশরীরে হাজির হয়ে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

অবসায়ন প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকা পিপলস লিজিংয়ের সাময়িক অবসায়ক (প্রবেশনাল লিকুডেটর) আসাদুজ্জামান খানের দেওয়া এ-সংক্রান্ত তালিকা দেখে এই আদেশ দেন আদালত। আদালতে কোম্পানির আইনজীবী ব্যারিস্টার মেজবাহুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

দেশের বিচারিক ইতিহাসে এত মানুষকে ব্যাখ্যা দিতে একসঙ্গে কখনোই ডাকা হয়নি বলে সংশ্নিষ্টরা জানান। প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারের অর্থ পাচারকাণ্ডে অন্যতম আলোচিত দুই আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। সেখান থেকে নামে-বেনামে লুট করা হয়েছে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি।

পিপলস লিজিংয়ে ছয় হাজার ব্যক্তি শ্রেণির আমানতকারী এবং বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীর ১৯৯৬ কোটি টাকা আটকা পড়েছে। এ টাকার পুরোটাই ঋণ হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা রয়েছে। এর একটি বড় অংশ

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকরা নামে-বেনামে ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। আর এর পেছনে ছিলেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদার।

প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা পাচার করে কানাডায় পালিয়ে থাকা পি কে হালদারকে গ্রেপ্তারে ইতোমধ্যে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করা হয়েছে। তার মা লীলাবতী হালদার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরীসহ ২৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট।









মন্তব্য করুন