বহুল আলোচিত ও কাঙ্ক্ষিত নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর নাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে রাখার দাবি আবারও উঠেছে সংসদে। গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদের বৈঠকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের সদস্য পংকজ দেবনাথ ও মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ এ দাবি জানান। এর আগে সকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

এর আগেও একাধিকবার সংসদের বৈঠকে পদ্মা সেতুর নামকরণ শেখ হাসিনার নামে করার দাবি ওঠে। তবে প্রধানমন্ত্রী নিজে সেতুর নাম পদ্মা সেতু রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন।

বরিশাল থেকে নির্বাচিত সদস্য পংকজ দেবনাথ বলেন, পদ্মা সেতু এখন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। বিশ্বব্যাংক যখন টাকা দিতে অস্বীকার করল, তখন প্রধানমন্ত্রী চ্যালেঞ্জ দিয়ে বললেন নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু হবে। পদ্মা সেতু এখন বাস্তবতা। শেখ হাসিনার নামে এই সেতুর নামকরণ করতে হবে। তিনি হয় তো বলবেন না, এটা তার বিনয়। কিন্তু তার নামেই পদ্মা সেতুর নাম দিতে হবে।

গাজীপুর থেকে নির্বাচিত সদস্য মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ বলেন,

পদ্মা সেতু সরকারের বড় সাফল্য। এই সেতু শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহায়ক নয়, পদ্মা সেতু নির্মাণ আমাদের সক্ষমতা প্রমাণ করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটা সফল করেছেন। তিনি হয় তো তার নামে এই সেতুর নামকরণ

চাইবেন না। এটা তার মহানুভবতা। কিন্তু পদ্মা সেতু শেখ হাসিনার নামে নামকরণ করতে হবে।

করোনার টিকা বেসরকারিভাবে আনার প্রস্তাব :সরকারি ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও করোনার টিকা আনার প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ডা. রুস্তম আলী

ফরাজী। তিনি বলেছেন, বেসরকারিভাবে বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে যারা দক্ষ তাদের সঙ্গে আলোচনা করে করোনার টিকা আনার অনুমতি দেওয়া উচিত। একটি ডোজ কিনতে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা লাগবে। যাদের দরকার তারা কিনে নিতে পারবে। দেশের ৫০ ভাগ মানুষ এই টাকা দিয়ে টিকা কিনে নিতে পারবেন। তাদের ক্রয় করে টিকা নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া উচিত। যারা পারবে না, তাদের জন্য সরকারিভাবে এনে বিনামূল্যে দেওয়া হবে।

করোনা মোকাবিলায় সরকার সফল উল্লেখ করে জাপার এমপি বলেন, করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ সফলতা দেখিয়েছে, যা অনেক উন্নত দেশও পারেনি। করোনা মোকাবিলা করে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এই করোনার সময় প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছেন। সারা বছর তিনি সবকিছু বন্ধ করে না রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দেশের অর্থনীতি এখন যে অবস্থায় আছে, এটা যদি ধরে রাখা যায়, আমরা আরও এগিয়ে যাব।

তিনি বলেন, দুর্নীতি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স নিয়েছেন সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে। আইনের কঠোর প্রয়োগ দেখাতে হবে।

রুস্তম আলী ফরাজী প্রধানমন্ত্রীকে কোনো সমালোচনায় কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনি এগিয়ে যান। আপনার ওপর মানুষের আস্থা আছে, সেটা যেন নষ্ট না হয়।





মন্তব্য করুন