সদ্য সমাপ্ত পিরোজপুর পৌরসভা নির্বাচনে এক নারী কাউন্সিলর প্রার্থী সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন, কারচুপি ও অপকৌশলের মাধ্যমে তার বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরপর ছয়বার নির্বাচিত নারী কাউন্সিলর ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র মিনারা মাহবুব তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইসিতা বেগমের বিরুদ্ধে নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার, সন্ত্রাস ও ৬নং ওয়ার্ডের দুটি ভোটকেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দিয়ে ভোটে জেতার অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ভাইজোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসারের

স্বাক্ষরবিহীন ফল প্রদানসহ

প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে। ৬নং ওয়ার্ডের দুটি ভোটকেন্দ্রে সন্ধ্যার পরও ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি ৬নং ওয়ার্ডের তিনটি কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের দাবি করেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার পিরোজপুর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- জেলা মহিলা পরিষদের সভানেত্রী মনিকা মণ্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদিকা খালেদা আক্তার হেনা, সহসম্পাদিকা লাইজু আক্তার, আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদিকা শিরিনা আফরোজ প্রমুখ।

মিনারা মাহবুব জানান, ৩০ বছর ধরে মাঠে থেকে তিনি সাধারণ মানুষের সেবা করেছেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি বা অন্য কোনো অভিযোগ নেই। এ বছরও তিনি প্রচুর ভোট পেয়েছেন। তবে নির্বাচিত হতে পারেননি। অবৈধ টাকা এবং পেশিশক্তি ব্যবহার করে তার বিজয়কে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

মিনারা মাহবুব জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মহিলা পরিষদের আইন সহায়তাবিষয়ক সম্পাদিকা। তিনি পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত আসনে পরপর ছয়বার নির্বাচিত কাউন্সিলর ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে বিজয়ী কাউন্সিলর ইসিতা বেগম বলেন, পরাজিত প্রার্থীর অভিযোগ ভিত্তিহীন। আর ইভিএমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কারচুপির কোনো সুযোগ নেই।

গত ১৬ জানুয়ারি পিরোজপুর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য করুন